সনাতন ধর্মে হনুমান জয়ন্তীর বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। হিন্দু ধর্মীয় গ্রন্থ অনুসারে, চৈত্র পূর্ণিমার দিনে মা অঞ্জনার গর্ভ থেকে হনুমান জি জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তাই তাঁকে অঞ্জনেয় বলা হয়। হনুমানজির বাবার নাম ছিল কেশরী। ভগবান রামের প্রতি তাঁর অটল ভক্তি এবং মহাবলী হিসেবে পরিচিত হনুমান জির সাহস, নিঃস্বার্থ সেবা এবং নিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।। সারা দেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা হনুমান জয়ন্তী অত্যন্ত জাঁকজমকের সাথে উদযাপন করেন। এই বছর হনুমান জয়ন্তী কবে পালিত হবে সেই নিয়ে কিছুটা দ্বিমত দেখা গেছে। কেও বলছেন ১২ এপ্রিল শনিবার পালিত হবে জন্মোৎসব আবার কেও বলছেন ১৩ এপ্রিল রবিবার হনুমান জয়ন্তী উদযাপন করা হবে।
হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে এ বছর হনুমান জন্ম উৎসব চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথি ১২ই এপ্রিল ভোর ৩টে একুশ মিনিট থেকে শুরু হচ্ছে থাকবে ১৩ই এপ্রিল ভোর পাঁচটা একান্ন মিনিট অবধি।তাই উদয় তিথির কারণে হনুমান জয়ন্তী ১২ই এপ্রিল পালিত হবে।
হনুমান জয়ন্তীর শুভ মুহূর্ত:
সকালের পুজোর শুভ মুহুর্ত ৭ টা বেজে ৩৫ মিনিট থেকে শুরু হয়ে চলবে ৯ টা ১১ মিনিট পর্যন্ত।
হনুমান জয়ন্তী পুজো পদ্ধতিঃ
হনুমান জয়ন্তীর দিন খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে স্নান করে পরিষ্কার পোশাক পড়ুন। এরপর হনুমানের মূর্তিটি একটু বেদীতে স্তাপন করুন। এরপর গঙ্গাজল দিয়ে হনুমান কে স্নান করিয়ে সিঁদুর এবং জুঁই তেল অর্পণ করুন। নিজের সামর্থ্য মতন ফুল, ফল ও লাড্ডু উৎসর্গ করুন । এরপর এই পুণ্য তিথিতে হনুমান চল্লিশা বজরং বাণী এবং হনুমান অষ্টক পাঠ করুন।হনুমান জয়ন্তীতে যথাযথ ভাবে হনুমানজির পুজো করলে তাঁর আশীর্বাদ লাভ করা যায়। এছাড়াও, জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি বজায় থাকে।