শিক্ষকের কাছে যৌন হেনস্থার শিকার স্কুলের নাবালিকা ছাত্রী। স্কুলের কমপক্ষে ৫০ জন ছাত্রীকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হেনস্থা করেছেন এই শিক্ষক। গত বৃহস্পতিবার ঘটনাটি সামনে আসতেই শোড়গোল পড়ে যায় এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের চিত্তোরগড়ের (Chittorgarh) বেঙ্গু মহকুমার অন্তর্গত আনওয়া হেদা গ্রামের একটি সরকারি স্কুলে। একটি ছাত্রী লুকিয়ে তাঁর কীর্তিকলাপের ভিডিয়ো করে পরিবারকে দেখিয়েছে। সেখান থেকেই এলাকায় জানাজানি হয়। সেই ভিডিয়োর ওপর ভিত্তি করে ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত শিক্ষককে বহিস্কার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর নির্যাতিতা কিশোরীদরে পরিবার ও গ্রামবাসীরা স্কুলের সামনে বিক্ষোভ দেখান।
ভয় দেখিয়ে যৌন হেনস্থা
নির্যাতিতাদের অভিযোগ, শম্ভুলাল ধাকড় দীর্ঘদিন ধরেই নাবালিকাদের ফোনে অশ্লীল মেসেজ করত। এমনকী স্কুলের পর ছাত্রীদের ক্লাসরুমে ডেকে যৌন হেনস্থার চেষ্টা করত। অনেককেই পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এইসব কীর্তিকলাপ ঘটাত শম্ভুলাল। ছাত্রীরাও ভয় পেতেন। আর সেই ভয়েই দুবছর ধরে একের পর এক ছাত্রীকে অশ্লীল মেসেজ বা যৌন হেনস্থা করে যাচ্ছিল। আর তাঁরাও ভয়ে বাড়িতে এসব বলতে পারত না। এরমধ্যেই সম্প্রতি এক নাবালিকা লুকিয়ে ক্লাসরুমে শম্ভুলালের কীর্তিকলাপের ভিডিয়ো করে।
গ্রেফতার অভিযুক্ত
সেই ভিডিয়ো সে তাঁর পরিবারকে দেখাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানায়। পাশাপাশি ভিডিয়ো বাকি অভিভাবকদের ফোনেও ছড়িয়ে পড়ে। সকলে সম্মিলিতভাবে থানায় অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয়েছে তদন্ত। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত শম্ভুলাল ধাকড়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে পকসো ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।