Shashi Tharoor. (Photo Credits: X)

Shashi Tharoor: বেশ কয়েক মাস ধরেই তিনি দলে কোণঠাসা। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি পদে মল্লিকার্জুন খাড়গের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে হারের পর থেকেই দলের একাংশের রোষানলে পড়েন তারকা সাংসদ শশী থারুর। শশীও একটা সময় কংগ্রেস নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোপ দেগে চুপ করে গিয়েছিলেন। এরপর ২০২৪ লোকসভায় তিরুবন্ততপুরে বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখরকে হারিয়ে দলীয় কর্মীদের কাছে হিরো বনে গিয়েছিলেন ইংরেজিতে পটু কেরলের কংগ্রেস সাংসদ শশী। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনে রাহুল গান্ধীর দুরন্ত প্রত্যাবর্তন আর কংগ্রেসের সম্মানজনক ফলের পর শশী দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে ক্রমশ পিছনের সারিতে চলে যেতে থাকেন।

পহেলগাম হামলার পর থেকেই কংগ্রেসে বেসুরো শশী থারুর

দলে ক্রমশ গুরুত্ব হারাতে থাকা শশী থারুর পহেলগাম হামলা, অপরাশেন সিঁদুর নিয়ে এমন বেশ কিছু মন্তব্য করেছিলেন, যা তার দলের অবস্থানের সঙ্গে কিছু জায়গায় একেবারেই মিল ছিল না। শশীর বক্তব্যের সঙ্গে বিজেপি নেতাদের কথার মিল পাচ্ছিলেন অনেক কংগ্রেস সমর্থক। মোদীর প্রশংসাও করেছিলেন তিনি। এর মাঝে কখনই টুইটারে দলের হয়ে কোনও বার্তা পোস্ট করেননি শশী। সেই আবহে অপরাশেন সিঁদুর ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা নিয়ে ভারত সরকারের বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সফরে সর্বদল প্রতিনিধি দলে কংগ্রেস থেকে মোদী প্রশাসন বেছে নেয় শশী থারুর-কেই। বোঝাই যাচ্ছিল কংগ্রেসে অবহেলিত শশী থারুরকে দলে পেতে আগ্রহী বিজেপি।

দেখুন টুইটে কী বার্তা দিলেন শশী থারুর

সামনে ভোট, কংগ্রেসেই থাকার স্পষ্ট ইঙ্গিত শশীর

কেরলে প্রথমবার সংসদে পাওয়া বিজেপি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে শশীকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছিল। কিন্তু আপাতত সেই জল্পনায় জল ঢাললেন তিরুবন্ততপুরমের চারবারের সাংসদ শশী থারুর। সোমবার নীলাম্বুর বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী আরিয়াদান সৌকাথ-কে অভিনন্দন জানিয়ে এক্স প্ল্য়াটফর্মে বার্তা দিলেন শশী। সঙ্গে কেরলে কংগ্রেস কর্মীদেরও প্রশংসা করলেন শশী। এই টুইটেই শশী কংগ্রেসে প্রত্য়াবর্তন করলেন কি না তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দিন দুয়েক আগেই বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা উড়িয়েই তিরুবন্ততপুরমের সাংসদ ঘোষণা করেছিলেন, "তিনি কংগ্রেসের মতাদর্শে বিশ্বাসী,অন্য দলে যোগদানের প্রশ্নই নেই।"তবে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢ়রা লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত নীলাম্বুরে কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করেননি শশী।