Congress Alleges BJP Took 8 Madhya Pradesh MLAs In Hotel: মধ্যপ্রদেশের সরকারকে ভাঙতে দলীয় বিধায়কদের হরিয়ানার হোটেলে তুলেছে বিজেপি, অভিযোগ কংগ্রেসের
মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ (Photo Credits: PTI)

নতুন দিল্লি, ৪ মার্চ: মধ্যপ্রদেশের কমলনাথের সরকার ভেঙে দিতে তৎপর বিজেপি। এমনই অভিযোগ এনেছে কংগ্রেস (Congress)। দাবি করা হয়েছে, ইতিমধ্যেই আট বিধায়ককে (Madhya Pradesh MLAs) গুরগাঁওয়ের এক হোটেলে নিয়ে গিয়ে রেখেছে বিজেপি। অভিযোগ, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, প্রাক্তন মন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র, ভূপেন্দ্র সিং, রামপাল সিংয়ের মতো বিজেপি নেতারা মধ্যপ্রদেশের সরকার ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছেন। আটজন কংগ্রেস বিধায়ককে হরিয়ানার একটি হোটেলেও আটকে রাখা হয়েছে। রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জিতু পাটোয়ারি একথাই বলেছেন, সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বিধায়কদের হোটেলবন্দি করেছেন বিজেপি নেতারা। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং অভিযোগ করেন যে, দলবদলের জন্য বিজেপি কংগ্রেস ও অন্য দলের বিধায়কদের মোটা টাকার লোভ দেখাচ্ছে।

এই বক্তব্যের ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই পাটোয়ারি বিজেপির বিরুদ্ধে বিধায়ক কেনার অভিযোগ আনেন। এই বেআইনি কাজের নেপথ্য রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি শিবরাজ সিং চৌহান ও নরোত্তম তোমর। পাটোয়ারি বলেন, “আমরা আটক বিধায়কদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে যাচ্ছি। এই আটকদের তালিকায় রয়েছেন উপজাতি সম্প্রদায়ের বিধায়ক বিশুলাল সিং। তাঁকে জোর করে হোটেলবন্দি করেছে বিজেপি।” ছেলে জয়বর্ধনকে নিয়ে ইতিমধ্যেই হরিয়ানার ওই হোটেলে পৌঁছে গিয়েছেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং। সেখানে আটক রয়েছেন চার কংগ্রেস বিধায়ক, একজন নির্দল বিধায়ক। বাকিরা সমজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজ পার্টির বিধায়ক। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করবেন দুই কংগ্রেস নেতা। আরও পড়ুন-Coronavirus In India: করোনাভাইরাসের ছায়া এবার পারাদ্বীপের কার্গো জাহাজে, আক্রান্ত ক্রু মেম্বার কটক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

এদিকে প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, জিতু ও জয়বর্ধনের সঙ্গে হোটেল থেকে ফিরছেন BSP বিধায়ক রামাবাই পরিহার। গত ডিসেম্বরে তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করেছিলেন মায়াবতী। জিতুর দাবি, এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। খুব শিগগিরই তাঁরা সাংবাদিক সম্মেলন করবেন বলে জানিয়েছেন। সোমবারই দিল্লিতে সংবাদ মাধ্যমের সামনে দিগ্বিজয় সিং অভিযোগ করেছিলেন, “মধ্যপ্রদেশের মকলনাত সরকারকে ভেঙে দিতে মাঠে নেমে পড়েছে গেরুয়া শিবির। কংগ্রেসের বিধায়কদের দলবদলের জন্য ২০-২৫ হাজার টাকা করে অপারও দেওয়া হয়েছে।”