Jharkhand Assembly Elections 2019:  ঝাড়খণ্ডের নির্বাচনী প্রচারে কাশ্মীরের ৩৭০ ও অযোধ্যার রায়, দুই তাসকেই বাজি ধরে সেফ খেললেন অমিত শাহ
অমিত শাহ (Photo Credits: PTI)

লাতেহার, ২১ নভেম্বর: অযোধ্যার বিতর্কিত জমি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। এই রায় আরও আগে ঘোষণা হতে পারত, যদি তৎকালীন ইউপিএ সরকার চাইতো। ইচ্ছে করে অযোধ্যা রায়কে (Ayodhya Verdict) বিলম্বিত করেছে কংগ্রেস। ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) নির্বাচনী জনসভা থেকে এভাবেই প্রচার শুরু করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, কংগ্রেস ইচ্ছে করে এতদিন অযোধ্যার বিতর্কিত জমি মামলার রায় অমীমাংসিত রেখেছিল। কিন্তু কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের প্রচেষ্টায় সুপ্রিম কোর্ট যুগান্তকারী রায় দিয়ে সেই মামালার নিষ্পত্তি করল। মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানা থেকে শিক্ষা নিয়ে ঝাড়খণ্ডে ভোটপ্রচারে গিয়ে কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুললেনই না বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। ঝাড়খণ্ডে গিয়ে তিনি শরণ নিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারীর বাজপেয়ীর, কথা বললেন উন্নয়ন নিয়ে।

উল্লেখ্য, ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় ৮২টি আসন, ভোট হবে ৮১টি আসনে। সরকার গড়ার জন্য চাই ৪২টি আসন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে এই রাজ্যে ৪৩টি আসন পেয়েছিল বিজেপি ও তার জোট সঙ্গীরা। প্রধান বিরোধী ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা পেয়েছিল ১৯টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছিল ৬টি আসন।   ঝাড়খণ্ড বিকাশ মোর্চা ৮টি আসন পেলেও পরে ৬ জন বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দেন। মহারাষ্ট্র-হরিয়ানার মতো ঝাড়খণ্ডেও বিজেপি নির্বাচনে লড়ছে ক্ষমতাসীন দল হিসাবে। তাই প্রতিষ্ঠানবিরোধী হাওয়া স্বাভাবিক। সে কারণেই ঝাড়খণ্ডে ভোটের প্রচারে গিয়ে অমিত শাহ তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসের সাফল্য। গত পাঁচ বছরে রাজ্য থেকে নকশাল সমস্যা দূর করার জন্য তিনি কৃতিত্ব দেন রঘুবর দাসকে। এ মাসের ৩০ নভেম্বর শুরু হচ্ছে পাঁচ দফা ভোটগ্রহণের প্রথম দফা। শেষ দফায় ভোটগ্রহণ হবে ২০ ডিসেম্বর। ফল প্রকাশ ২৩ ডিসেম্বর। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে রঘুবর দাসের বিরুদ্ধে তেমন কোনও দুর্নীতির অভিযোগ নেই, যদিও তাঁর দল বিজেপিরই এক সদস্য অভিযোগ তুলেছিলেন যে মুখ্যমন্ত্রীকে আট শতাংশ কমিশন না দিলে কোনও টেন্ডারই পাস হয় না।  তা সত্ত্বেও রঘুবর দাসকেই প্রচারে সামনে রাখতে পারে বিজেপি। আরও পড়ুন-Maharashtra Government Formation: ২৩ তারিখেই সরকার গঠনের অনুমতি নিতে রাজ্যপালের কাছে শিবসেনা-এনসিপি-কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল, সঞ্জয় রাউত

তবে এবারও মহারাষ্ট্র হরিয়ানার মতো বিরোধী কংগ্রেসকে ঠুকতে ফের কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা (Article 370) বিলোপের প্রসঙ্গে চলে যান অমিত শাহ। তারপর ফির আসেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রসঙ্গে। তিনি বলেন, “ঝাড়খণ্ড তৈরি করেছিলেন অটলজি (অটলবিহারী বাজপেয়ী), আর তাকে সমৃদ্ধ ও সজ্জিত করছেন নরেন্দ্র মোদি।… কংগ্রেসের আমলে মানুষকে মরতে হয়েছে, তরুণদের প্রাণ যাচ্ছিল এবং রাজ্যের ভাবনাটাই অপূর্ণ রয়ে যাচ্ছিল কংগ্রেস আমলে।”