আজকাল গতির যুগে সঠিক সময়ে খাওয়া-দাওয়া অনেকেরই হয় না। কাজের চাপে খাওয়ার সময় ভুলে যান। অনিয়মিত খাওয়া দাওয়া এবং তেল মশলা যুক্ত খাবার খেয়ে পেটের সমস্যায় ভুগতে থাকেন অনেকেই। গ্যাস অম্বল নিত্য সঙ্গী হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য অনেকেই চেষ্টা করেন।যদি সমস্যা গুরুতর হয়, তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তবে বেশ কিছু নিয়ম কানুনের মধ্যে থাকলে গ্যাস অম্বলের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। দেখুন বিস্তারিত।
পর্যাপ্ত জল পান করুন: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা হজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। জল শরীরকে ডিটক্সিফাই করতেও সাহায্য করে।
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান: ফল, শাকসবজি, এবং গোটা শস্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা হজম স্বাস্থ্যকে উন্নত করে। তবে, অতিরিক্ত ফাইবার গ্রহণ করলে কিছু ক্ষেত্রে গ্যাস হতে পারে, তাই ধীরে ধীরে খাদ্য তালিকায় ফাইবার যোগ করা উচিত।
নিয়মিত ব্যায়াম করুন: হালকা ব্যায়াম, যেমন হাঁটা বা যোগব্যায়াম, হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং পেটে গ্যাস জমা হওয়া কমাতে সাহায্য করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধেও সহায়ক।
কিছু ঘরোয়া প্রতিকার: আদা চা: আদা হজম ক্ষমতা বাড়ায় এবং বমি বমি ভাব কমাতে পারে। পেটের ব্যথা এবং গ্যাস উপশমে পুদিনা চা খুবই উপকারী।
মৌরি বীজ: খাবারের পরে এক চামচ মৌরি চিবিয়ে খেলে গ্যাস এবং ফোলাভাব কমে।
লেবুর জল: হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং পেটের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
কলা: পেটের জন্য একটি কোমল খাবার এবং হজমজনিত সমস্যা দূর করতে সহায়ক।
চর্বিযুক্ত এবং মশলাদার খাবার হজম হতে বেশি সময় নেয়, তাই এই খাবারগুলি এড়িয়ে চলুন।
অতিরিক্ত খাওয়া বন্ধ করুন। কারণ এটি হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। ধীরে ধীরে খান এবং ভালভাবে চিবিয়ে খান। এর পাশাপাশি মানসিক চাপ হজম স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই স্ট্রেস কমানো দরকার।