বর্ষার হালকা বৃষ্টিতে ভিজলেই অনেকেই জ্বর, সর্দি কাশির শিকার হন। শিশুরা দৌড়ে খেলায় ভিজে যখন শরীর ঠান্ডা লাগায়, তখন রোগজীবাণু সহজেই প্রবেশ করে। তাই আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে শরীরকে সজীব রাখতে  স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ।

বর্ষায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণ অপরিষ্কার জলবায়ু: বাতাসে মোল্ড ও ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়। ভেজা পোশাক: দীর্ঘ সময় ভেজা থাকলে তাপমাত্রা নেমে যায়। অপর্যাপ্ত পুষ্টি: বাড়ির বাইরে ভাঙা–খাওয়া খাবার বেশি গ্রহন।  কম ঘুম: বদলাতে থাকা দিনের আলো-অন্ধকার ঘুমের প্যাটার্ন ভেঙে দেয়। মানসিক চাপ: বর্ষায় কুয়াশা ও ঠান্ডা মুডে বিষণ্নতা বাড়ে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর আউপায়-

সুষম খাদ্যগ্রহণ: ভিটামিন সি ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ সবজি, যেমন ব্রোকলি, অরেঞ্জ, পেঁপে এবং বাদাম, লেবু, আমলকি নিয়মিত খেতে হবে। এরা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে শরীরের কোষগুলোকে শক্তিশালী করে।

পর্যাপ্ত ঘুম: রাতে ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন। ঘুমের সময় শরীর রিকভারি করে এবং ইমিউন সিস্টেম আরো সক্রিয় হয়।

নিয়মিত হালকা ব্যায়াম: রোদের আলো পাওয়া না গেলেও বাড়ির ভেতরে স্ট্রেচিং, যোগব্যায়াম অথবা দ্রুত হাঁটা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

পর্যাপ্ত জলপান: প্রতিদিন অন্তত ২.৫ লিটার তাজা জল বা হালকা গরম জল পান করুন। হেডিফিশন ও টক্সিন বের করে, স্যালাইভারি ফ্লুইড ঠিক রাখে।

মানসিক সুস্থতা: ধ্যান, মাইন্ডফুলনেস অথবা হালকা সঙ্গীত অভ্যাস করুন। মন শান্ত হলে শরীরের হরমোন ব্যালান্স ঠিক থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

বাইরে থেকে আসার পর সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।  ভিজা জামাকাপড় সাথে না রাখলে ফাঙ্গাস ও ঠান্ডা বাধা কমে। বর্ষার ফসলতেও অনেক পোকামাকড় লুকিয়ে থাকে; রান্নার আগে সব্জি ভালো করে ধুয়ে নিন।