দাঁতের যন্ত্রণা খুবই অস্বস্তিকর এবং কষ্টকর সমস্যা।  হঠাৎ করে শুরু হয়ে  জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলতে পারে। তবে কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় আছে যেগুলি ব্যবহার করে আপনি তাৎক্ষণিক আরাম পেতে পারেন।

লবঙ্গ বা লবঙ্গ তেল: লবঙ্গের মধ্যে থাকা ইউজেনল দাঁতের ব্যথা উপশমে দারুণ কার্যকর। একটি লবঙ্গ ব্যথার স্থানে রেখে দিতে পারেন বা লবঙ্গ তেলে তুলো ভিজিয়ে দাঁতের গোড়ায় লাগান।

লবণ-গরম জল : এক গ্লাস কুসুম গরম জলে হাফ চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করুন। এটি জীবাণু নষ্ট করে, ব্যথা ও ফোলাভাব কমায়।

রসুনের পেস্ট: রসুনে আছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। একটি রসুন থেঁতো করে সামান্য লবণ মিশিয়ে দাঁতের গোড়ায় লাগান। কিছুক্ষণের মধ্যেই আরাম পাবেন।

হলুদের পেস্ট: হলুদ অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে। সামান্য হলুদ গুঁড়োতে জল বা নারকেল তেল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ব্যথার স্থানে লাগাতে পারেন।

পুদিনা পাতা বা পুদিনা চা: ঠান্ডা পুদিনা চা মুখে নিয়ে কিছুক্ষণ ধরে রাখলে দাঁতের যন্ত্রণা হ্রাস পায়।

  • পেয়ারা পাতার রস: পেয়ারা পাতায় থাকে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা দাঁতের ব্যথা ও মাড়ির ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে। কয়েকটি পেয়ারা পাতা ভালোভাবে ধুয়ে বেটে তার রস বের করে নিন। এরপর তুলো ভিজিয়ে সেই রস ব্যথার স্থানে লাগান বা এই পাতাগুলি ফুটিয়ে সেই জল দিয়ে কুলকুচি করুন – এতে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।ফটকিরি (অ্যালাম): ফটকিরিতে শক্তিশালী জীবাণুনাশক ও সংকোচনকারী উপাদান থাকে, যা মুখের জীবাণু দূর করে এবং দাঁতের আশেপাশে জমে থাকা ইনফেকশন হ্রাস করে। এক চিমটি ফটকিরি গরম জলে মিশিয়ে কুলকুচি করলে ব্যথা ও ফোলাভাব অনেকটাই কমে যায়। নিয়মিত ব্যবহারে এটি মুখের দুর্গন্ধ ও মাড়ির সংক্রমণ প্রতিরোধেও সাহায্য করে।