এদিন সকালে দুটি বাইকে চারজন ব্যক্তি শোরুমের সামনে আসে। এদের মধ্যে তিনজন দোকানে ঢুকে সোজাসুজি রবীন্দ্রকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং অপরজন বাইরে দারিয়ে পাহারা দেয়। গুলি করে তাঁরা বাইরে আসলে চারজন দ্রুত বাইক চালিয়ে বেরিয়ে যায়। এরপর ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। রবীন্দ্রর অন্য আরেকটি পরিচয়ও আছে। ইনি হরিয়ানার অন্যতম বিরোধী দল জননায়ক জনতা পার্টির সঙ্গে যুক্ত।

পুলিশসূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বাইকে করে যারা এসেছিলেন তাঁদের সকলেরই মুখ ঢাকা ছিল। শোরুমের নিরাপত্তারক্ষী দুষ্কৃতিদের বাধা দিতে যায়, কিন্তু সেও ব্যর্থ হন। তবে সিসিটিভি ক্যামেরায় বাইকের নম্বর দেখে তাঁদের হদিশ মিলবে বলে মনে করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। দোকানের কর্মচারীরা জানিয়েছেন, রবীন্দ্রর সঙ্গে সেরকম কারোর শত্রুতা ছিল না, ফলে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে তাঁরাও যথেষ্ট আতঙ্কিত রয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁরা তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন এবং দোকানের কর্মীও প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন।