দিল্লির রিং রোডে গাড়ি দুর্ঘটনার (Delhi BMW Car Accident) পরতে পরতে রয়েছে রহস্য। গতকাল রাতে দুর্ঘটনার পর ঘাতক গাড়ির চালক পালিয়ে না গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থল থেকে ১৭ থেকে ২০ কিলোমিটার দূরের জেটিবি হাসপাতালই কেন বেছে নেওয়া হল? কেন নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল না, এই নিয়ে ধন্ধে রয়েছে পুলিশ। কারণ চিকিৎসকদের দাবি, তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে যদি নভজ্যোত সিংকে ভর্তি করানো হত, তাহলে তাঁর মৃত্যু হত না। ফলে মৃতের পরিবারের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁকে মেরে ফেলা হয়েছে।
গগনপ্রীতের বয়ানের সত্যতা যাচাই করছে পুলিশ
যদিও সোমবার গগনপ্রীতকে গ্রেফতারির পর জেরা করেছে দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লি থানার পুলিশ। জেরার মুখে সে জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর কিছুক্ষণ অচৈতন্য ছিলেন তিনি। হুঁশ ফেরার পর তাঁর মাথায় প্রথম জেটিবি হাসপাতালের নাম আসে। কারণ করোনার সময় গগনপ্রীত ও তাঁর স্বামী যখন অসুস্থ ছিলেন সেই সময় এই হাসপাতালের চিকিৎসাই তাঁদের সারিয়ে তুলেছিল। সেই কারণেই আহতদের উদ্ধার করে ট্যাক্সি চালককে জেটিবি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। যদিও গগনপ্রীতের এই বয়ানের সত্যতা কতটা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
তদন্ত জারি রেখেছে পুলিশ
এদিকে ঘটনার সময় অভিযুক্ত এবং তাঁর স্বামী নেশাগ্রস্থ ছিলেন কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অন্যদিকে বিএমডব্লিউ গাড়িটি চালানোর সময় স্পিড লিমিট অতিক্রম করা হয়েছিল কিনা এবং অভিযুক্ত প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছে কিনা, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে নভজ্যোৎ সিংয়ের স্ত্রী সন্দীপ কৌরের শারীরিক অবস্থায় অনেকটাই উন্নতি করেছে। এখনও আশঙ্কাজনক রয়েছ গগনপ্রীতের স্বামীর শারীরিক অবস্থা।