Citizenship Amendment Bill in Rajya Sabha Today: নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আজ রাজ্যসভায়, বিরোধীরা বেগ দিতে তৈরি থাকলেও জয়ে আশবাদী কেন্দ্র
রাজ্যসভার ফাইল ছবি (Photo credit: IANS)

নতুন দিল্লি, ১১ ডিসেম্বর: সোমবার মধ্যরাতে হাইভোল্টেজ নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (Citizenship Amendment Bill) পাস হয়েছে লোকসভায়। আজ সেই বিল পাস হবে রাজ্যসভায় (Rajya Sabha)। এটি অমিত শাহর কাছে অগ্নিপরীক্ষার শামিল হলেও শাসক শিবির তা মানতে নারাজ। অনায়াসেই যে রাজ্যসভায় বিল পাস করানো যাবে তানিয়ে কোনও সন্দেহের অবকাশ রাখছে না কেন্দ্রের মোদি সরকার। বিরোধীরাও এত সহজে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নয়, রীতিমতো তৈরি হয়েই আজ লড়াইয়ের ময়দানে নামতে চলেছে যুযুধান দুই পক্ষ। বিজেপির চিন্তা আরও বাড়িয়েছে শিবসেনা। লোকসভায় শিবসেনা নাগরিকত্ব বিলের পক্ষে ভোট দিলেও, রাজ্যসভার ভোটে বিরোধী শিবিরের সঙ্গে হাত মেলানোর ইঙ্গিত দিয়েছে উদ্ধব ঠাকরের দল। বেলা দুপুর দুটো নাগাদ বিলটি পাস হতে চলেছে। তারপর ছয় ঘণ্টা ধরে চলবে তর্কবিতর্ক।

এদিকে যতই বিল পাশে আশাবাদী হোক বিজেপি প্রায় গলার কাঁটার মতো বিঁধছে শিবসেনা। উদ্ধব ঠাকরে বলেছেন, ‘‘বিল ঘিরে অনেক প্রশ্ন রয়েছে।’’ তবে শিবসেনাকে নিয়ে আশঙ্কা থাকলেও শরিক জেডিইউ, অকালি এবং অগপ পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে। এনডিএ-র বাইরে থাকলেও বিলকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছে বিজু জনতা দল। তবে নাগা পিপলস ফ্রন্টের সমর্থন সরকারের পক্ষে থাকবে বলে বিজেপি আশা করলেও, তাদের চূড়ান্ত অবস্থান নিয়ে সংশয় রয়েছে। মেঘালয়ে আগাথা সাংমার দল জানিয়ে দিয়েছে, তারা ভোটাভুটিতে অংশ নেবেন না। আরও পড়ুন-Tabrez Ansari Lynching Case: তবরেজ আনসারি গণপিটুনি মামলায় ৬ অভিযুক্তকে জামিন দিল ঝাড়খণ্ডের আদালত

অন্যদিকে রাজ্যসভায় সংখ্যার নিরিখে তাদের হার নিশ্চিত বুঝে বিরোধী শিবিরের তরফে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলটিকে প্রত্যাহারের পরিবর্তে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে৷ সোমবার রাত পর্যন্ত রাজ্যসভায় সংখ্যাতত্ত্বের যে আভাস পাওয়া যাচ্ছে, তাতে আজ মঙ্গলবার ভোটাভুটি হলে সরকার পক্ষ পেতে পারে ১৩১টি ভোট৷ অন্যদিকে বিরোধীরা পেতে পারে ১০৯টি ভোট৷ শেষ মুহূর্তের রদবদলে এই সংখ্যার হেরফের হলেও তা সরকারকে বিপাকে ফেলার জন্য যথেষ্ট নয়৷ ২৪৫টি আসনের রাজ্যসভায় ৫টি আসন খালি৷ ফলে ২৪০টি আসনের মধ্যে ১২১টি ভোট পেলেই সরকারের জয় নিশ্চিত৷ তবুও ঝুঁকি নিতে নারাজ কেন্দ্র, বেশকিছু ছোট দলকে পাশে পাওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ।