মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) দুটি পৃথক ঘটনায় মৃত্যু হল ২ শিশুর। একদিকে ছত্তরপুরে ভুয়ো চিকিৎসকের চিকিৎসায় মৃত্যু ২০ দিনের এক নবজাতকের। অন্যদিকে খান্ডোয়াতে এক দেড় বছরের শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে গ্রেফতারির ভয়ে পলাতক এক হাতুড়ে ডাক্তার। দুটি ঘটনা ইতিমধ্যেই নজরে এসেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের। তারপরেই নড়েচড়ে বসেছে রাজ্য প্রশাসন। সেই কারণে বিভিন্ন এলাকায় বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকগুলিতে ভুয়ো ডাক্তার বসছে কিনা, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভুল চিকিৎসার কারণে মৃত্যু সদ্যোজাতর
জানা যাচ্ছে, ছত্তরপুরেতে এক নবজাতকের একটু সর্দিকাশি হয়েছিল। সেই কারণে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে যে ওষুধ দেওয়া হয়, সেটা খাওয়ানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হয়। এরপর ফের চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে ওই যুবক চিকিৎসা করতে অস্বীকার করে। সেখানেই সেই শিশুর মৃত্যু হয়। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পলাতক অভিযুক্ত চিকিৎসক
এদিকে খান্ডোয়ার গান্ধোয়া গ্রামের মধ্যে ছোটখাটো হাসপাতাল খুলে ফেলেছিলেন বছর ২৪-এর হিমাংশু যাদব। এলাকায় তাঁর পরিবার প্রচার করে সে ইউক্রেন ফেরত চিকিৎসক। সেই ক্লিনিকে দিনদুয়েক আগে এক দেড়বছরের শিশুকে নিয়ে আসে তাঁর পরিবার। শিশুটির হালকা জ্বর ও পেটে ব্যাথা ছিল। পরিবারের অভিযোগ, কোনও পরীক্ষা ছাড়াই হিমাংশু জানিয়ে দেয় শিশুটির নিউমোনিয়া হয়েছে। আর সেই কারণে ৫টি ইঞ্জেকশনও দিয়ে দেয়। আর তাতেই অবস্থার অবনতি হয়। শুক্রবার শিশুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসাকেন্দ্রে শিশুটিকে নিয়ে গেলে জানা যায় অভিযুক্ত পলাতক। তারপর স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে।