দিল্লিতে পড়তে এসে নিখোঁজ ত্রিপুরার তরুণী। গত ৭ জুলাইয়ের পর থেকে এখনও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। প্রবল উৎকন্ঠায় ভুগছে বছর ১৯-এর স্নেহা দেবনাথের (Sneha Debnath Missing Case) পরিবার। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার কানেও এই ঘটনা পৌঁছে গিয়েছে। তিনি দিল্লি পুলিশকে মেয়েটিকে খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন। তদন্তকারীরা জোরকদমে অনুসন্ধান প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। তবে বেশ কয়েকটি সমস্যার সম্মুখীনও হচ্ছেন তাঁরা। কারণ তরুণী লোকেশন যে এলাকা ট্রেস করা গিয়েছে, সেটা সিগনেচার ব্রিজ। সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা সেভাবে নেই। এবং যা আছে, তারমধ্যে বেশ কয়েকটি ক্যামেরা কাজ করছে না। ফলে ওই ব্রিজের পর স্নেহাকে আর কোথাও দেখা যায়নি।

সিগনেচার ব্রিজ থেকেই নিখোঁজ স্নেহা

জানা যাচ্ছে, ঘটনার দিন যে ক্যাবে করে স্নেহা সিগনেচার ব্রিজে গিয়েছিল, সেই ক্যাব চালককে জেরা করা হয়েছে। তাঁর কথার সঙ্গে স্নেহার লোকেশন মিলে গিয়েছে। এদিনে ওই সময় ব্রিজে থাকা কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী বয়ানেও মিল পাওয়া গিয়েছে। এদিকে তরুণীর পরিবার হাতে একটি নোট এসেছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে, স্নেহা নাকি ব্রিজ থেকে ঝাঁপ দিয়েছে। ফলে পুলিশ এবং জাতী বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী নয়ডার নিগম বোধ ঘাটে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। অন্যদিকে, পুলিশ তাঁর বন্ধুদের জেরা করে জানতে পেরেছেন গত কয়েকদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন স্নেহা।

বন্ধুকে স্টেশন ছাড়তে গিয়ে নিখোঁজ স্নেহা

প্রসঙ্গত, ত্রিপুরার সাব্রুমের বাসিন্দা স্নেহা দেবনাথ দিল্লির আত্মারাম সনাতন ধর্ম কলেজে পড়তেন। গত ৭ জুলাই ভোর ৫ টা ৫৬ মিনিটে মায়ের সঙ্গে শেষবারের জন্য ফোনে কথা হয় স্নেহার। তখন জানতে পারে পিটুনিয়া নামে এক বন্ধুকে সরায় রোহিলা স্টেশন ছাড়তে যাচ্ছিলেন স্নেহা। এরপর বাড়ি থেকে পৌনে ৯টা নাগাদ আবার ফোন করা হয়েছিল। তখন তাঁর ফোন সুইচ অফ ছিল। এরপর থেকেই সন্দেহ শুরু হয়। এমনকী পরিবারের থেকে যখন পিটুনিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়, তখন সে বলে স্নেহার সঙ্গে নাকি তাঁর দেখাই হয়নি।