কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশে ৪০ বছর বয়সী এক শিখ ধর্মযাজক ও শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশুদের নিয়ে যৌন অপরাধের ছয়টি অভিযোগ আনা হয়েছে। OMNI নিউজ চ্যানেলের খবরে বলা হয়, ভূপিন্দর সিং সোনু মঙ্গলবার সারে প্রভিন্সিয়াল কোর্টে প্রথম হাজিরা দেন। তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ভুক্তভোগীর সঙ্গে যৌন শোষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। ল্যাংলির ফ্রেজার ভ্যালির খালসা স্কুলে তবলা শিক্ষক ও ধর্মযাজক হিসেবে কাজ করতেন সোনু। ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে কানাডায় এসেছিলেন তিনি। দু'সপ্তাহ আগে তিনি স্থায়ী বাসিন্দা হন বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষার আইনজীবী গগন নাহাল। নাহাল আরও জানান, সোনু এখন আর স্কুলের চাকরি করে না।
OMNI নিউজের প্রাপ্ত আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে কথিত অপরাধগুলো ঘটেছে। কঠোর জামিনের শর্তে সোনুকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, এবং আদালতে তার পরবর্তী হাজিরা ৩০ মে। কানাডার ক্রিমিনাল কোড অনুযায়ী, এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। একটি মাত্র অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে সোনুকে নির্বাসনের মুখে পড়তে হবে এবং দেশে ফিরে আসতে হবে বলে জানিয়েছেন নাহাল। রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। এর আগে ৬২ বছর বয়সী ইন্দো-কানাডিয়ান হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সক সুনীল আনন্দের বিরুদ্ধে ব্র্যাম্পটনে এক তরুণ রোগীর যৌন নির্যাতন ও যৌন হস্তক্ষেপের অভিযোগ আনা হয়।