Kolkata Onion Prices: মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হস্তক্ষেপ, কলকাতায় এক ধাক্কায় পেঁয়াজ  ১৬০ থেকে নেমে ১২০ টাকা কিলোতে
পেঁয়াজ (Photo Credits: Pixabay)

কলকাতা, ১১ ডিসেম্বর: সোমবার যদুবাবুর বাজারে গিয়ে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের কাছে রীতিমতো দাম নিয়ে দরাদরি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির(Mamata Banerjee)। এই দুর্মূল্যের সময়ে যাতে কোনওভাবেই পেঁয়াজ নিয়ে কালোবাজারি না হয় তা দেখার জন্য তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নিতে বলেন। জেলাশাসক পুলিশ কর্তাদেরও জানিয়ে দেন, যাতে বাজারে পেয়াঁজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কোনও কালোবাজারি হচ্ছে কি না তা দেখা হয়। বাজার অভিযান করলেই যে এই কালোবাজারি আটকানো যাবে তা-ও তিনি বলেন। সেই সঙ্গে দুদিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম (Onion Price ) কমানোর নির্দেশ দেন। বুধবার সেই নির্দেশ অবশেষে ফলল। এতদিন ৪০ কেজি পেঁয়াজ বিকোচ্ছিল ৩ হাজার ২০০ টাকায়। আজ দেখা গেল, ৪০ কেজি পেয়াঁজ কিনতে পড়ছে হাজার টাকা।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মাফিক বুধবার সকালে দলবল নিয়ে কলকাতার কোলে মার্কেটে অভিযানে আসেন পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা। পাইকারি রেট কমে যাওয়ার পরেও খুচরো পেঁয়াজ বিক্রিতে অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি লাভ রেখে আমজনতাকে ঠকাচ্ছে কি না তা দেখাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। পেঁয়াজের বিকিকিনি জরিপ করতে এদিন কাছারি বাজারে যান দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক পি উলগানাথন। তবে সাধারণ ক্রেতাদের দাবি অগ্নিমূল্য পেঁয়াজে হাত দেওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু রেশন দোকানে সরকার থেকে যে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে তা-ও সকলে পায়নি। এদিক ভরা বিয়ের মরসুমে বেশ বিপাকে পড়েছেন ক্যাটারিং ব্যবসায়ীরা। একের পর এক কাজের বায়না। এই সময়টার জন্যই বছরভর অপেক্ষা করে থাকা। কিন্তু এবার লাভের গুড় পেঁয়াজে খাওয়ায় মুখের হাসি উধাও কালনার ক্যাটারিং ব্যবসায়ীদের। তাঁদের বক্তব্য, বায়না যখন নেওয়া হয়েছে তখন একই দামে পরিষেবা দিতে বাধ্য। কিন্তু তাঁদের অসহায়তার চিত্রটা তুলে ধরে কিছু টাকা বাড়ানোর জন্য বলা হলেও বিয়েবাড়ির লোকজন মুখের উপর না বলে দিচ্ছেন। কেউ আবার পরে ভেবে দেখার আশ্বাস দিচ্ছেন। আরও পড়ুন-Two-Headed Snake Found: সাতসকালে গ্রামের পথে দুমুখো সাপ, শোরগোল বেলদায়

এদিকে দু’টো বিয়ে বাড়িতে অন্তত ৭৫ কেজি করে পেঁয়াজ লাগে। এক কেজি মাংসে ২৫০ গ্রামের মতো পেঁয়াজ লাগে। দোপেঁয়াজা হলে তো গোদের উপর বিষ ফোঁড়ারই শামিল। যে সময়ে অর্ডার ধরা তখন পেঁয়াজের কেজি ছিল ৫০ টাকা। এখন দেড়শো টাকা। তাই বাড়তি সাড়ে সাত হাজার টাকা লাগবে। কাজ করে কার্যত কোনও লাভই থাকবে না।