কলকাতা: ভালোবাসা, করুণা এবং নিঃস্বার্থ সেবার প্রতীক মাদার টেরেসার আজ মৃত্যুবার্ষিকী (Mother Teresa’s Death Anniversary)। মাদার টেরেসা তাঁর জীবন অসহায়, দরিদ্র এবং অসুস্থ মানুষের সেবায় উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর জীবন ও কর্মকাণ্ড বিশ্বব্যাপী মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক। ১৯৯৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর কলকাতায় মাদার টেরেসার (Mother Teresa) মৃত্যু হয়। এই দিনটি তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। চলতি বছর তাঁর ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণ করা হচ্ছে। কলকাতার মাদার হাউসে আজ বিশেষ প্রার্থনা, সেবা কার্যক্রম এবং অসহায়দের মধ্যে খাবার বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে।

মাদার টেরেসা ১৯২৯ সালে ভারতে আসেন এবং কলকাতার লরেটো কনভেন্টে শিক্ষকতা শুরু করেন। তিনি সেন্ট মেরি’স স্কুলে দরিদ্র বাঙালি মেয়েদের পড়াতেন। ১৯৫০ সালে মাদার টেরেসা কলকাতায় মিশনারিজ অফ চ্যারিটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য ছিল দরিদ্র, অসুস্থ, পরিত্যক্ত এবং মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের সেবা করা। মিশনারিজ অফ চ্যারিটি ধীরে ধীরে বিশ্বের ১৩৩টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়ে। তারা এইচআইভি/এইডস, কুষ্ঠরোগ, যক্ষ্মা রোগীদের জন্য হাসপাতাল, আশ্রয়কেন্দ্র এবং স্কুল পরিচালনা করে। আরও পড়ুন:  Landslide In Kullu:হিমাচলে ফের ধস, পাহাড় থেকে পাথরের চাঁই পড়ে মৃত্যু ১ জনের, আহত বহু

মাদার টেরেসার দর্শন ছিল, ‘আমরা বড় কিছু করতে পারি না, তবে ভালোবাসা দিয়ে ছোট ছোট কাজ করতে পারি।’ তিনি সবাইকে ভালোবাসা ও সেবার মাধ্যমে মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে উৎসাহিত করতেন। মাদার টেরেসার জীবন ও বাণী বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষকে সেবার পথে অনুপ্রাণিত করেছে। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী প্রতি বছর কলকাতার মিশনারিজ অফ চ্যারিটিতে (Missionaries of Charity) এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে স্মরণ করা হয়।

মাদার টেরেসার মৃত্যুবার্ষিকীতে কলকাতার মিশনারিজ অফ চ্যারিটিতে বিশেষ প্রার্থনা

(টুইটার, ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউব সহ সোশাল মিডিয়া থেকে আপনার কাছে সর্বশেষতম ব্রেকিং নিউজ, ভাইরাল ট্রেন্ডস এবং ইনফরমেশন নিয়ে আসে SocialLY। উপরের পোস্টটি ব্যবহারকারীর সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি এম্বেড করা হয়েছে এবং লেটেস্টলি এতে কোনও সংশোধন বা সম্পাদনা করেনি। সোশাল মিডিয়া পোস্টের মতামত এবং তথ্য লেটেস্টলি-র মতামতকে প্রতিফলিত করে না। লেটেস্টলি এর জন্য কোনও দায়বদ্ধতা বা দায় গ্রহণ করে না।)