বুধবার লোকসভায় তিনটি বিল পেশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যার মধ্যে ১৩০ তম সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করতে গিয়ে চরম বিরোধীতার মুখে পড়তে হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। লোকসভায় সামনের সারিতে বসেন তিনি। সেই কারণে ওয়ালে নেমে প্রতিবাদ দেখান বিরোধী সাংসদরা। এরমধ্যেই কয়েকজন শাহের সামনে বিলের কপি ছিঁড়ে ছুড়তে থাকেন। আর এই সময়ই মহিলা সাংসদদের ওপর হেনস্থা করে বিজেপির মন্ত্রী-সাংসদরা, এমনই অভিযোগ তোলে তৃণমূল। যদিও এই অভিযোগ নিজেদের দোষকে চাপা দেওয়ার জন্য করা হচ্ছে বলে পাল্টা আঙুল তুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

তৃণমূল সাংসদদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সুকান্তর

বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি বলেন, “কোনও বিল নিয়ে আপত্তি থাকতেই পারে। সেই নিয়ে আলোচনা হবে। এটা গণতন্ত্রের অংশ। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বিলটি যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দিচ্ছিলেন, তখনই বিরোধীরা প্রতিবাদ শুরু করেন। যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো মানে সেখানে শাসক-বিরোধী সব দলেরই সাংসদরা থাকবেন। সেখানে রাজ্যসভা, লোকসভার সাংসদদের উপস্থিতিতে আলোচনা হওয়ার কথা। কিন্তু এই প্রস্তাব দেওয়ার পরেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে বিলের কপি ছিঁড়ে তাঁর মুখে ছুঁড়ে মারা হয়। এর থেকে তৃণমূলের গুন্ডাগিরি গোটা দেশের সামনে এসেছে”।

দেখুন সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্য

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ সুকান্ত মজুমদারের

সুকান্ত আরও বলেন, “যেটা হয়েছে তারপর বিরোধী সাংসদদেরও ওপর কড়া ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। সেটা থেকে বাঁচতেই মিতালী বাগ এই মিথ্যা অভিযোগ করছে। সিসিটিভি ফুটেজেই সব সত্যি সামনে চলে আসবে। এইরকম দৃশ্য আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন সাংসদ ছিলেন তখন আমরা দেখেছি। ফলে দলের ডিএনএ-তে এটা আছেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতে বিধানসভায় ভাঙচুড় করেছেন, এবার সেই গুন্ডাগিরি আবার না লোকসভায় দেখতে হয়”।