Malegaon Blast Case: যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ ছিল না, মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলা বেকসুর খালাস হলে সাধ্বী প্রজ্ঞা সহ ৭ অভিযুক্ত

তথ্য প্রমাণে অভাবে মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলা থেকে নিষ্পত্তি পেলেন ৭ অভিযুক্ত। ১৭ বছর পর অবশেষে সাধ্বী প্রজ্ঞা সহ ৭ জনকে বেকসুর খালাস করে দিল মুম্বইয়ের বিশেষ এনআইএ আদালত।

Malegaon Blast Case: যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ ছিল না, মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলা বেকসুর খালাস হলে সাধ্বী প্রজ্ঞা সহ ৭ অভিযুক্ত

তথ্য প্রমাণে অভাবে মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলা থেকে নিষ্পত্তি পেলেন ৭ অভিযুক্ত। ১৭ বছর পর অবশেষে প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর ওরফে সাধ্বী প্রজ্ঞা সহ ৭ জনকে বেকসুর খালাস করে দিল মুম্বইয়ের বিশেষ এনআইএ আদালত। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, যে তথ্যপ্রমাণগুলি দেওয়া হয়েছিল, তার কোনওটাই সন্দেহের উর্ধ্বে ছিল না। শুধুমাত্র নৈতিকতার যুক্তি দিয়ে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। আর সেই কারণেই এই মামলা থেকে ছাড়া পেলেন সাধ্বী প্রজ্ঞারা। যদিও আগে থেকেই এই সাতজনই জামিনে মুক্ত ছিলেন।

গাফিলতি ছিল মেডিকেল সার্টিফিকেটে

এদিন বিচারপতি রায় দেওয়ার আগে জানিয়েছিলেন, মালেগাঁওয়ে যে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছিল, তা প্রমাণিত। কিন্তু ওই বাইকে যে বোমা রাখা ছিল, তা প্রমাণিত হয়নি। আহতদের বয়স ও মেডিকেল সার্টিফিকেটে বেশকিছু গাফিলতি ছিল। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত ৩২৩ জন সাক্ষীর বয়ান খতিয়ে দেখা হয়। ২০২৫-এর এপ্রিলে আদালতে এক লক্ষেরও বেশি পাতার প্রমাণ এবং নথি আদালতে পেশ করে এনআইএ। সেই সমস্ত রেকর্ড খতিয়ে দেখার জন্য ১৯ এপ্রিল রায়দান স্থগিত রেখেছিল আদালত।

বেকসুর খালাস পেয়ে সাধ্বী প্রজ্ঞার প্রতিক্রিয়া

বৃহস্পতিবার রায়দানের পর প্রজ্ঞা বলেন, আমার ওপর অমানুষিক অত্যাচার চলেছিল। আমি বেঁচে আছি কারণ আমি সন্ন্যাসী। ওঁরা গেরুয়া অবমাননার চক্রান্ত করেছিল, কিন্তু আজ হিন্দুত্বের জয় হল। আমি চাই আসল অপরাধীরা শাস্তি পাক। প্রসঙ্গত, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ সালে নাসিকের মালেগাঁও শহরে একটি মসজিদ লাগোয়া কবরস্থানে দুটি বাইক বিস্ফোরণে ৭ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন ১০০ জনেরও বেশি।

কেন গ্রেফতার হয়েছিলেন সাধ্বী প্রজ্ঞারা?

মহারাষ্ট্রের সন্ত্রাস দমন শাখা ঘটনার তদন্তে নেমে প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর, প্রাক্তন সেনা আধিকারিক লেফটেন্যান্ট কর্নেল প্রসাদ শ্রীকান্ত পুরোহিত, অবসরপ্রাপ্ত মেজর রমেশ উপাধ্যায় সহ ৭ জনের নাম উঠে আসে। এমনকী তদন্তকারীদের দাবি ছিল, বিস্ফোরণে ব্যবহৃত একটি বাইকের নম্বর প্লেট ছিল সাধ্বী প্রজ্ঞার নামে। এরপরেই তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। পরে অবশ্য জামিন পান তাঁরা। ২০১১ সালে এই মামলার তদন্তভার যায় এনআইএ-এর হাতে।

(The above story first appeared on LatestLY on Jul 31, 2025 04:31 PM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).