মুম্বই, ১৯ অগাস্ট: দুই মেয়েকে নিয়ে হিমাচল প্রদেশে রয়েছেন রুবিনা দিলায়েক (Rubina Dilaik)। ছোট্ট ছোট্ট দুই মেয়েকে নিয়ে কিছুতেই হিমাচল থেকে বেরোতে পারছেন না অভিনেত্রী। প্রচণ্ড বৃষ্টি এবং ধসে যখন হিমাচল বেহাল, সেই সময় পাহাড়ে ফেঁসে রয়েছেন টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। নিরাপদ কোথায় থাকবেন, এতদিন ধরে তা বুঝে উঠতে পারেননি রুবিনা। ফলে হিমাচল প্রদেশের একটি হোটেলে তাঁরা থাকছেন। বর্তমানে বৃষ্টি এবং ধসের গতি কিছুটা কমেছে। ফলে হিমাচল (Himachal Pradesh Rain) থেকে মুম্বইতে (Mumbai) ফেরার কথা ভাবছেন অভিনেত্রী (Actress)।
হিমাচলে কীভাবে রয়েছেন রুবিনা
হিমাচল প্রদেশে দুই মেয়েকে নিয়ে রয়েছেন রুবিনা দিলায়েক। জিভা এবং ইধাকে নিয়ে আপাতত একাই রয়েছেন রুবিনা। অত্যন্ত কঠিন সময়ে যে হোটেল তাঁকে এবং তাঁর দুই মেয়েকে থাকার জায়গা করে দিয়েছে, তাঁদের ধন্যবাদ জানান অভিনেত্রী। পাশাপাশি নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে হিমাচলের একাধিক ভিডিয়ো এবং ছবিও পোস্ট করেন টেলিভিশনের 'ছোটি বহু'।
হিমাচল প্রদেশে যখন প্রচণ্ড বৃষ্টি শুরু হয়, সেই সময় অভিনেত্রী দুই মেয়েকে নিয়ে সেখানে থাকতে শুরু করেন। প্রচণ্ড বৃষ্টিতে হিমাচল যখন বেহাল, সেই সময় হোটেলের লনে মাঝে মধ্যেই খেলতে দেখা যায় রুবিনার দুই কন্যাকে।
রুবিনা জানান, গত ৫ দিন ধরে তিনি হিমাচলের উত্থান এবং পতন দেখেছেন। বৃষ্টি এবং ধসে বহু বাড়িঘর ভেঙে গিয়েছে। রাস্তাঘাট ভেঙে পড়েছে। ভেসে গিয়েছে। বহু মানুষ নিজেদের আশ্রয় হারিয়েছেন। গত কয়েকদিন ধরে এক নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে যাঁরা বাড়ি, ঘর হারিয়েছেন, সেই পরিবারগুলির প্রতি সহমর্মিতা দেখান রুবিনা।
এসবের পাশাপাশি অভিনেত্রী আরও বলেন, তিনি ভাল আছেন। তাঁর সন্তানরাও ভাল আছে। ঈশ্বরের কৃপায় তাঁরা সুস্থ আছেন, ভাল আছেন বলে জানান রুবিনা। শুধু তাই নয়, প্রচণ্ড বৃষ্টিতে যখন হিমাচল প্রদেশের পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করে, সেই সময় দুই মেয়েকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে ছিলেন তিনি। কোনও বিপর্যয় যাতে তাঁর সন্তানদের স্পর্শ করতে না পারে, তার জন্য সব সময় তিনি প্রার্থনা করেছেন বলেও জানান রুবিনা দিলায়েক।
দেখুন রুবিনার পোস্ট করা ছবি এবং ভিডিয়ো...
View this post on Instagram
সোমবার রাতের ভূমিকম্প
হিমাচল প্রদেশ যখন বৃষ্টি এবং ধসে নাকানিচোবানি খাচ্ছে, সেই সময় সোমবার রাতে হঠাৎ করেই ভূমিকম্প হয়। ৩.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে হিমাচল প্রদেশের কাংরা উপত্যকা। যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। তবে কোনও প্রাণহানির খবর এখনও মেলেনি।