ভারতের মত  বিদেশের মাটিতেও ধূমধাম করে পালিত হয় গণেশোৎসব। তবে বিশেষ করে লন্ডনের মাটিতে গণেশ চতুর্থী বেশ জাঁকজমকের সঙ্গে পালিত হয়। এখানে প্রবাসী ভারতীয়রা, বিশেষ করে মারাঠি এবং গুজরাটি সম্প্রদায়, এই উৎসবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। স্থানীয় মন্দিরগুলিতে বা কমিউনিটি হলে আয়োজন করা হয় গণেশ পুজো। বিভিন্ন গণেশ মণ্ডপ তৈরি করা হয়, যেখানে বড় বড় গণেশ মূর্তি স্থাপন করা হয়। পুজো চলাকালীন ভজন, কীর্তন, আরতি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে প্রবাসী ভারতীয়রা একত্রিত হয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন।

গণেশ পুজো শেষে বিসর্জন প্রক্রিয়াটি লন্ডনের স্থানীয় নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়। সেই বিসর্জনের একটি ছবি সম্প্রতি সামনে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। দেখা যাচ্ছে লফোর্ড লেনকে কার্যত স্তব্ধ করে দিয়ে ঢোল তাসা নিয়ে প্রবাসী ভারতীয়রা চলেছেন গনেশের বিসর্জনে।

 

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Sandeep Anthwal (@sandeep_anthwal)

বিদেশে নদী বা হ্রদে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া অনুমোদিত নয়, কারণ পরিবেশ দূষণের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়। তাই লন্ডনে প্রতিমা বিসর্জন সাধারণত নিম্নলিখিত দুটি উপায়ে করা হয়। বিভিন্ন সংগঠন বা মন্দির চত্বরে কৃত্রিম পুকুর বা ট্যাঙ্ক তৈরি করা হয়। সেখানে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় এবং পরে সেই মূর্তিগুলি তুলে এনে পুনর্ব্যবহার বা সঠিকভাবে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়। অথবা পরিবেশবান্ধব প্রতিমা তৈরি করা হয়। অনেক পুজো কমিটিই পরিবেশবান্ধব গণেশ মূর্তি ব্যবহার করে। এই মূর্তিগুলি কাদামাটি বা অন্যান্য দ্রুত পচনশীল উপাদান দিয়ে তৈরি হয়। পুজো শেষে এই মূর্তিগুলি জলপূর্ণ পাত্রে বিসর্জন দেওয়া হয়, যা সহজেই গলে যায়।এইভাবে, লন্ডনে গণেশ পুজো ও বিসর্জন উভয়ই ধর্মীয় বিশ্বাস এবং পরিবেশ সচেতনতার মেলবন্ধন ঘটিয়ে পালন করা হয়।

(টুইটার, ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউব সহ সোশাল মিডিয়া থেকে আপনার কাছে সর্বশেষতম ব্রেকিং নিউজ, ভাইরাল ট্রেন্ডস এবং ইনফরমেশন নিয়ে আসে SocialLY। উপরের পোস্টটি ব্যবহারকারীর সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি এম্বেড করা হয়েছে এবং লেটেস্টলি এতে কোনও সংশোধন বা সম্পাদনা করেনি। সোশাল মিডিয়া পোস্টের মতামত এবং তথ্য লেটেস্টলি-র মতামতকে প্রতিফলিত করে না। লেটেস্টলি এর জন্য কোনও দায়বদ্ধতা বা দায় গ্রহণ করে না।)