বিহারের কৈমুরে, তীব্র ঠান্ডায়, হাতে ব্যানার নিয়ে এক ব্যক্তি তার ছোট দুই সন্তানকে নিয়ে রাস্তায় ভিক্ষা করছেন। তিনি যে ব্যানারটি ধরেছিলেন, সেখানে তিনি লিখেছেন, "আমাদের দেশ স্বাধীন, কিন্তু আমরা পুরুষরা স্বাধীন নই, তাই শখের জন্য নয় ভিক্ষা নয় বাধ্যতামূলকভাবেই শিশুদের প্রতিপালন করা প্রয়োজনে।আপনি যদি কিছু দিতে চান, কাজ দিন বা দান করুন।” জানা গেছে ওই ব্যাক্তির নাম কৃষ্ণ মুরারি গুপ্ত, তিনি তার ৪ বছরের ছেলে অংশ গুপ্ত এবং ৬ মাস বয়সী মেয়েকে কোলে নিয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়ান এবং তার বাচ্চাদের ভরণপোষণের জন্য ভিক্ষা করেন।
কৃষ্ণা মুরারি গুপ্তা জানান, তিনি মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। ২০১৭ সালে নভেম্বর মাসে তিনি বিয়ে করেছিলেন। তারপরে তাদের একটি ছেলে হয় যার বয়স ৪ বছর। এরপরই স্ত্রী তার সঙ্গে ঝগড়া শুরু করেন এবং পরে হঠাৎ করে একদিন পালিয়ে যান। পুলিশ বুঝিয়ে সুঝিয়ে দিলে স্ত্রী বাড়ি ফিরে আসে। তারপর তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তানও জন্ম নেয়, কিন্তু জন্মের মাত্র ১৫ দিনের মাথায় মেয়েকে হত্যা করে তাঁর স্ত্রী। তিনি জানান তাঁর স্ত্রী মানসিক অবসাদগ্রস্থ। যার ফলে বার বার ঘর থেকে তিনি পালিয়ে যাচ্ছেন। দেখুন কী বললেন কৃষ্ণা-
बार... बार... पत्नी फरार! चार महीने की लड़की और चार साल के लड़के के साथ भीख मांग कर कृष्ण कुमार गुप्ता का गुजारा हो रहा है. परिवार में कोई नहीं है. पत्नी के मायके वाले कुछ सुनते नहीं... कई बार पत्नी भाग चुकी है. बिहार के कैमूर का मामला. Edited by @iajeetkumar pic.twitter.com/vIul9btWpM
— Prakash Kumar (@kumarprakash4u) January 6, 2023
কৃষ্ণ মুরারি গুপ্ত আরও বলেন, 'একদিন যখন তিনি তার ছেলের সাথে ঘুমাচ্ছিলেন, হঠাৎ তার স্ত্রী তাকে লোহার পাইপ দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। সে এ পর্যন্ত ৩০ থেকে ৩৫ বার বাড়ি থেকে পালিয়েছে। কৃষ্ণ মুরারির মতে, তার মেয়ের বয়স ৬ মাস। তার পরিবারের অন্য সদস্যরা বাইরে থাকেন। দুই সন্তানকে একাই বড় করছেন তিনি। যে কারণে তারা কোথাও কাজ করতে পারে না। সেই কারণেই শিশুদের সঙ্গে ভিক্ষা করেন কৃষ্ণ। জানা গেছে কৃষ্ণ মুরারি গুপ্তের স্ত্রী তার বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলাও করেছেন।
(টুইটার, ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউব সহ সোশাল মিডিয়া থেকে আপনার কাছে সর্বশেষতম ব্রেকিং নিউজ, ভাইরাল ট্রেন্ডস এবং ইনফরমেশন নিয়ে আসে SocialLY। উপরের পোস্টটি ব্যবহারকারীর সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি এম্বেড করা হয়েছে এবং লেটেস্টলি এতে কোনও সংশোধন বা সম্পাদনা করেনি। সোশাল মিডিয়া পোস্টের মতামত এবং তথ্য লেটেস্টলি-র মতামতকে প্রতিফলিত করে না। লেটেস্টলি এর জন্য কোনও দায়বদ্ধতা বা দায় গ্রহণ করে না।)