COVID-19 Cases In India: ১ দিনে সংক্রামিত ৬৬ হাজার ৯৯৯ জন, ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ লাখ ছুঁই ছুঁই

ভারতে একদিনে সর্বাধিক সংক্রমণ (COVID-19 Cases In India)। বুধবার সারাদিনে দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন ৬৬ হাজার ৯৯৯ জন। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্যানুযায়ী ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৬৩৮ জন। রাত পোহালেই যে পরিসংখ্যান ২৪ লাখের কোঠা ছাড়িয়ে যাবে তা বলাই বাহুল্য। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি ৯৪২ জন। এই মুহূর্তে সংক্রামিতর সংখ্যা ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৬২২ জন। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১৬ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮২ জন। সবমিলিয়ে দেশে মৃত্যু মিছিলে শামিল ৪৭ হাজার ৩৩ জন। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, ৭০ শতাংশ মৃত্যুর নেপথ্যে রয়েছে কোমর্বিডিটর কেস। ভারতে করোনা থেকে সুস্থতার হার ৭০ শতাংশ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

করোনার সংক্রমণ (Photo Credits: IANS)

নতুন দিল্লি, ১৩ আগস্ট:  ভারতে একদিনে সর্বাধিক সংক্রমণ (COVID-19 Cases In India)। বুধবার সারাদিনে দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন ৬৬ হাজার ৯৯৯ জন। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্যানুযায়ী ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৬৩৮ জন। রাত পোহালেই যে পরিসংখ্যান ২৪ লাখের কোঠা ছাড়িয়ে যাবে তা বলাই বাহুল্য। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি ৯৪২ জন। এই মুহূর্তে সংক্রামিতর সংখ্যা ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৬২২ জন। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১৬ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮২ জন। সবমিলিয়ে দেশে মৃত্যু মিছিলে শামিল ৪৭ হাজার ৩৩ জন। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, ৭০ শতাংশ মৃত্যুর নেপথ্যে রয়েছে কোমর্বিডিটর কেস। ভারতে করোনা থেকে সুস্থতার হার ৭০ শতাংশ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

করোনাকে হারিয়ে দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি সুস্থতার হার রাজধানী দিল্লিতে। রাজধানীতে এখনও পর্যন্ত করোনাজয়ীর পরিসংখ্যান ৯০ শতাংশের কাছাকাছি। আশার খবর, ভারতে করোনায় মত্যুর হার ২ শতাংশেরও নিচে নেমে গেছে। দেশের মধ্যে ধারবাহিকভাবে করোনা বিধ্বস্ত রাজ্যটি মহারাষ্ট্র। ভারতের পশ্চিমাংশের এই রাজ্যটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার টপকে গিয়েছে। সেখানে মৃত্যু মিছিলে শামিল ১৮ হাজার ৬৫০ জন। মহারাষ্ট্রে করোনা থেকে সুস্থতার হার ৬৮.৭৯ শতাংশ ছিল। বুধবার তা বেড়ে হয়েছে ৬৯.৬৪ শতাংশ। মারণ ভাইরাস করোনাকে রুখতে বিশ্বের প্রথম ভ্যাকসিন এসে গেছে। মঙ্গলবার তা ঘোষণা করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে এক অনলাইন বৈঠকেই পুতিন নভেল করোনাভাইরাসকে রুখে দেওয়ার এই ভ্যাকসিনের খবর দেন। এই ভ্যাকসিনের নামকরণ করা হয়েছে স্পুটনিক ভি। রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের আওতায় এই স্পুটনিক ভি তৈরি করেছে সেখানকার গামালিয়া ন্যাশনাল সেন্টার অফ এপিডেমোলজি এবং মাইক্রোবায়োলজি। গামালিয়া ন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টারের ডিরেক্টর আলেকজান্ডার গিন্টসবার্গ জানান, ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি, এই এক মাসে অন্ততপক্ষে ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে রাশিয়া। এই ভ্যাকসিন যাতে শিশুদের উপরে প্রয়োগের অনুমতি মেলে সেজন্য সেন্টারের তরফে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও তৈরি করা হচ্ছে। আরও পড়ুন-Pranab Mukherjee Death Rumours: কোমায় চলে গিয়েছেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, ‘বাবা এখনও জীবিত’, মৃত্যুর গুজব উড়িয়ে প্রণব পুত্রের টুইট বার্তা

এএনআই টুইট

এদিকে  সপ্তাহের মধ্যেই কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের উৎপাদন শুরু করবে রাশিয়া (Russia)। একথাই জানালেন সেদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাসকো। সংবাদ সংস্থা জিনহুয়া রিপোর্ট জানাচ্ছে, এখ সাংবাদিক সম্মেলনে মিখাইল মুরাসকো বলেন, “প্রথমে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের য়ে উৎপাদন হবে তা আমাদের দেশের মানুষের প্রয়োজনীয়তাকেই পূরণ করবে। যখন ভ্যাকসিনের পরিমাণ যথেষ্ট হয়ে যাবে তখন অন্যান্য দেশকে তা অফার করতে পারে রাশিয়া। ভ্যাকসিন আদৌ কার্যকরী কি না তানিয়ে বিদেশি রাষ্ট্রগুলি ইতিমধ্যেই সন্দেহ প্রকাশ করেছে। রীতিমতো পড়াশোনা ও গবেষণার পরই এই ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়েছে। এবং ভ্যাকসিনটি নিরাপদ কি না তার স্বপক্ষে যথেষ্ট পরিমাণে বৈজ্ঞানিক তথ্যও সরবরাহ করেছেন ভ্যাকসিনের আবিষ্কারক।”

Share Now
Advertisement


Advertisement
Share Now
Advertisement