Satish Dhupelia Dies: কোভিডে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত মহাত্মা গান্ধীর দক্ষিণ আফ্রিকা নিবাসী প্রপৌত্র সতীশ ধুপেলিয়া

৬৬-তম জন্মদিনের তিনদিন পরেই করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারালেন মহাত্মা গান্ধীর দক্ষিণ আফ্রিকান গ্রেট গ্র্যান্ডসন সতীশ ধুপেলিয়া (Satish Dhupelia)। সতীশ ধুপেলিয়ার বোন উমা ধুপেলিয়া ম্যাসথ্রি দাদার মুত্যুর খবর জানিয়েছেন। তিনি জানান, দাদা সতীশ ধুপেলিয়া নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে একমাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানেই তিনি করোনায় সংক্রামিত হন। এবার তাঁর মৃত্যু হল। করোনা সংক্রমণের জেরে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এর জেরেই সতীশ ধুপেলিয়ার মৃত্যু হয়েছে। উমা ধুপেলিয়া ছাড়াও মহাত্মা গান্ধীর আরও এক গ্রেট গ্র্যান্ড ডটার রয়েছেন।

সতীশ ধুপেলিয়া (Photo Credits: Twitter)

জোহানেসবার্গ, ২৩ নভেম্বর: ৬৬-তম জন্মদিনের তিনদিন পরেই করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারালেন মহাত্মা গান্ধীর দক্ষিণ আফ্রিকান প্রপৌত্রসতীশ ধুপেলিয়া (Satish Dhupelia)। সতীশ ধুপেলিয়ার বোন উমা ধুপেলিয়া ম্যাসথ্রি দাদার মুত্যুর খবর জানিয়েছেন। তিনি জানান, দাদা সতীশ ধুপেলিয়া নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে একমাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানেই তিনি করোনায় সংক্রামিত হন। এবার তাঁর মৃত্যু হল। করোনা সংক্রমণের জেরে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এর জেরেই সতীশ ধুপেলিয়ার মৃত্যু হয়েছে। উমা ধুপেলিয়া ছাড়াও মহাত্মা গান্ধীর আরও এক প্রপৌত্রী রয়েছেন। তাঁর নাম কীর্তি মেনন, তিনিও জোহানেস বার্গের বাসিন্দা। মূত গান্দীর সম্মানেই নানরকম প্রকল্পের সঙ্গে নিরন্তর কাজ করে চলেছেন কীর্তি মেনন।

এই তিন ভাইবোন হল মণিলাল গান্ধীর বংশধর। মহাত্মা গান্ধী ২ দশক দক্ষিণ আফ্রিকায় কাটিয়েছেন। সেখানে প্রচুর জনকল্যাণ মূলক কাজ শুরু করেছিলেন। তাঁর অবর্তমানে সেই কাজ অব্যাহত রাখার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়ার আগে সেখানে মণিলাল গান্ধীকে রেখে আসেন। জানা গিয়েছে, জীবনের বেশিরভাগ সময়টাই চিত্রগ্রাহক তথা ফটোগ্রাফার ও ভিডিওগ্রাফার হিসেবে মিডিয়ার সঙ্গে যু্ক্ত ছিলেন সতীশ ধুপেলিয়া। গান্ধী ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট পরিচালনায় দারুণ সক্রিয় ছিলেন তিনি। ডারবানের কাছে ফিনিক্স সেটলমেন্ট তৈরি করেছিলেন মহাত্মা গান্ধী। সেই কাজ ঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্যই গান্ধী ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্টের সঙ্গে দারুণ সক্রিয় ছিলেন এই সতীশ ধুপেলিয়া। সমস্ত সম্প্রদায়ের মধ্যে যাঁরা দুঃস্থ তাঁদের সবরকম সহায়তা দেওয়ার ব্যাপারে সর্বদা এগিয়েই থাকতেন সতীশ ধুপেলিয়া। এই জন্য জনক্যাণ মূলক বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গেও তাঁর দারুণ সম্পর্ক ছিল। এই প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষক লুবনা নাদভি বলেছেন, “সতীশের মৃত্যুতে আমি মর্মাহত। তিনি একজন মহান হৃদয়ের মানুষ ও সমাজকর্মী ছিলেন।” আরও পড়ুন-Coronavirus Cases In India: সোমবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়ালো ৯১ লাখ, মৃত ১, ৩৩,৭৩৮ জন

“দারিদ্র দূর করার লক্ষ্যে ও সবার সমানাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমাদের কাজ করে যেতে হবে। একথা আমরা কিছুতেই ভুলব না।” জীবিতাবস্থায় এটাই ছিল সতীশ ধুপেলিয়ার শেষ ফেসবুক পোস্ট। তবে সতীশ ধুপেলিয়ার অন্ত্যেষ্টি নিয়ে এখনও কোনও ঘোষণা হয়নি।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement