Russian Troops in Ukraine: ইউক্রেনে রাশিয়ার কতজন সেনা রয়েছে! পুতিনের চমকপ্রদ ঘোষণা

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে টানা আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সব ঔদ্ধত্য, উদ্যোগে জল ঢেলে যুদ্ধ লড়ে চলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরই মাঝে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন জানালেন, বর্তমানে ইউক্রেনে মোতায়েন রয়েছে প্রায় ৭ লক্ষ রুশ সেনা।

Volodymyr Zelenskyy, Vladimir Putin (Photo Credit: X)

Russian Troops in Ukraine: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia vs Ukraine War) চলছে টানা আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সব ঔদ্ধত্য, উদ্যোগে জল ঢেলে যুদ্ধ লড়ে চলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরই মাঝে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন জানালেন, বর্তমানে ইউক্রেনে মোতায়েন রয়েছে প্রায় ৭ লক্ষ রুশ সেনা। পুতিনের বক্তব্যে স্পষ্ট, ইউক্রেনে রাশিয়ার সেনা উপস্থিতি এখন নজিরবিহীন। তবুও ইউক্রেনকে নিয়ে পুতিনের স্বপ্ন অধরা। বরং যুদ্ধের চাপ বুঝতে পারছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। সর্বশক্তি উজাড় করেও এখনও রাশিয়ার পূর্ণ দখল সম্ভব হয়নি দোনবাস অঞ্চলে, যা এই যুদ্ধের মূল কেন্দ্র। দাবি, আগস্টে রুশ বাহিনী মাত্র ৫৯৪ বর্গকিমি এলাকা দখল করেছে। যা সমালোচকদের মতে 'হতাশজনক অগ্রগতি'। দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক,এই দুই প্রদেশ নিয়ে গঠিত দোনবাস এখনো তীব্র সংঘর্ষের কেন্দ্র।

ইউক্রেন যুদ্ধে রেকর্ড সেনা নামিয়েও বলার মত সাফল্য নেই রাশিয়ার

প্রো-ওয়ার রুশ বিশ্লেষকরাও স্বীকার করছেন, সেনার সংখ্যা যতই বাড়ুক না কেন, পুতিনের স্বপ্নের ইউক্রেনের জমি দখলের অগ্রগতি অত্যন্ত ধীর। লক্ষ লক্ষ সেনা নামিয়েও প্রত্যাশিত ফল পাচ্ছে না রাশিয়া। কেবল কয়েকশো বর্গমাইল জমি দখল হচ্ছে মাসে, যা প্রশ্ন তুলছে রুশ সামরিক কৌশল নিয়ে। রাশিয়া ও ইউক্রেন- দুই পক্ষ মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দশ হাজারেরও বেশি। রাশিয়াকে গুনতে হচ্ছে বিলিয়ন ডলার খরচ, যা ক্রমে অর্থনীতি ও সামরিক শক্তিকে চাপে ফেলছে।

কী বিষয়ে সমস্যায় পড়ছে পুতিন সেনা

ইউক্রেনের তীব্র প্রতিরোধ ও রাশিয়ার লজিস্টিক সমস্যাই প্রধান বাধা বলে মত বিশেষজ্ঞদের। বিশ্লেষকদের মতে, সেনার সংখ্যা বাড়লেও দখলদারিত্বের হার মিলছে না প্রত্যাশার সঙ্গে। ইউক্রেনে রাশিয়ার বিপুল সেনা মোতায়েন সত্ত্বেও যুদ্ধ শেষ হওয়ার কোনও লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, ততই বাড়ছে রক্তপাত, অর্থনৈতিক ক্ষতি ও আন্তর্জাতিক অস্থিরতা।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement