Russian Drone Hit Ukraine's Largest Ship Video: রাশিয়ার 'সি ড্রোন' আছড়ে পড়ল ইউক্রেনের নৌবাহিনীর জাহাজে, বিস্ফোরণে ফেটে উড়ে গেল কিভের নৌবহর, দেখুন ভিডিয়ো
কৃষ্ণ সাগরে ইউক্রেনের যে বিশালাকার জাহাজটি ছিল, সেটি রাশিয়ার আঘাতে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্থ বলে কিভের তরফে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। ওই হামলার পর ইউক্রেনের নৌবাহিনীর তরফে এ বিষয়ে মুখ খোলা হয়।
দিল্লি, ২৯ অগাস্ট: ইউক্রেনের জাহাজ চূর্ণ বিচূর্ণ দিল রাশিয়া (Russia)। রাশিয়ার ড্রোন (Russian Drone) হামলায়। ইউক্রেনের (Ukraine Ship) বিশালাকার নৌকার উপর রাশিয়া যেভাবে ড্রোন নিয়ে হামলা চালায়, তার জেরে ভয়াবহ ছবি উঠে আসে। দেখা যায়, রুশ ড্রোনে প্রথমে বিপুল বিস্ফোরণ হয় ইউক্রেনের নৌকায়। তারপর সেটি আগুনের গোলার মত বিস্ফোরিত হয় এবং ফেটে যায়। যার শব্দ বহুদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। রাশিয়া যেভাবে ড্রোনের মাধ্যমে ইউক্রেনের জাহাজে হামলা চালায়, তার ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পর শিউরে উঠেছে গোটা বিশ্ব।
দুর্ঘটনার সময় কৃষ্ণ সাগরে ছিল ইউক্রেনের ওই বিশালাকারী জাহজটি। কৃষ্ণ সাগরে থাকার সময়ই সেটিতে হামলা চালায় রাশিয়ার ড্রোন এবং চূর্ণ বিচূর্ণ করে দেয়। বিস্ফোরণের আঁচ পেয়ে সমুদ্রে ঝাঁপ দেন ক্রুরা। সঠিক সময়ে জাহাজ ছাড়ায় বহু মানুষের মৃত্যু রদ করা গিয়েছে। তবে একজন নিহত হয়েছেন বলে খবর। সেই সঙ্গে আহত অনেকে। এমন খবর মিলছে।
দেখুন ইউক্রেনের জাহাজে সেই বিস্ফোরণের ভিডিয়ো...
তাস নিউজের খবর অনুযায়ী, এই প্রথম সি ড্রোন বা সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহার করল রাশিয়া। ইউক্রেনের জাহাজ লক্ষ্য করেই ওই সামুদ্রিক ড্রোন ছোঁড়া হয় রাশিয়ার তরফে। রাশিয়ার ওই বিপুল আঘাতের পর এ বিষয়ে ইউক্রেনের তরফে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।
কৃষ্ণ সাগরে ইউক্রেনের যে বিশালাকার জাহাজটি ছিল, সেটি রাশিয়ার আঘাতে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্থ বলে কিভের তরফে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। ওই হামলার পর ইউক্রেনের নৌবাহিনীর তরফে এ বিষয়ে মুখ খোলা হয়।
সিমফারপুল নামের ওই জাহাজটি প্রথম সামনে আসে ২০১৯ সালে। এরপর সেটি ইউক্রেনের নৌবাহিনীতে যুক্ত হয় গত ২ বছর আগে।
সম্প্রতি ইউক্রেন এবং রাশিয়ার যুদ্ধ থামাতে একাধিক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদামির পুতিনের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাক্ষাৎ হয়েছে, কথাও হয়েছে। এরপর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে ক্রমান্বয়ে সাক্ষাতের পরও কি এই যুদ্ধ থামার মত জায়গায় এসে পৌঁছেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।