Pakistan: তীর্থ করতে ইরাকে আর একা যেতে পারবেন না পাকিস্তানি শিয়া মুসলিমরা, নিয়ম বাঁধছে শেহবাজ় সরকার

পাকিস্তানে বসবাসকারী শিয়া মুসলিমরা ধর্ম পালনে ইরাক এবং ইরানে যান এককভাবে। তবে তাঁদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও, তাঁরা পাকিস্তানে ফেরেন না। দীর্ঘদিন তাঁরা ইরান, ইরানের মত দেশগুলিতে থাকতে শুরু করেন। যার জেরে ইরাক, ইরান-সহ বেশ কয়েকটি দেশ বিষয়টি নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করে। এরপরই পাকিস্তান ওই সিদ্ধান্ত নেয় বলে শেহবাজ সরকারের তরফে দাবি করা হয়।

Shehbaaz Sharif (Photo Credit: Instagram)

দিল্লি, ১৫ জুলাই: এবার শিয়া মুসলিমদের (Shia Muslim) ধর্ম পালন করতে বাধা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান (Pakistan)? রিপোর্টে প্রকাশ, এবার থেকে শিয়া তীর্থযাত্রীদের এককভাবে ইরাকে যাওয়া নিষিদ্ধ করছে শেহবাজ শরিফ সরকার। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পাকিস্তানে বসবাসকারী শিয়া মুসলিমরা আর এককভাবে ইরাকে ধর্ম পালন করতে যেতে পারবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার।

পাক সরকারের কথায়, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হল, অবৈধ অভিবাসন রোধ। ইরাক (Iraq), ইরান-সহ (Iran) বেশ কয়েকটি দেশ সম্প্রতি পাকিস্তানিদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এই উদ্বেগের জেরেই শেহবাজ শরিফ সরকারের তরফে শিয়া মুসলিমদের নিয়ে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।

আরও পড়ুন: Pahalgam Terror Attack: পহেলগাম নিয়ে পাকিস্তানের পর্দা ফাঁস, পাক সেনা এবং রাজনীতিকদের নির্দেশে হামলার ছক আইএসআইয়ের, ভারতীয়দের মারতে জঙ্গিদের পাঠায় লস্কর, ভয়াবহ রিপোর্ট

প্রসঙ্গত পাকিস্তানে বসবাসকারী শিয়া মুসলিমরা ধর্ম পালনে ইরাক এবং ইরানে যান এককভাবে। তবে তাঁদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও, তাঁরা পাকিস্তানে ফেরেন না। দীর্ঘদিন তাঁরা ইরান, ইরানের মত দেশগুলিতে থাকতে শুরু করেন। যার জেরে ইরাক, ইরান-সহ বেশ কয়েকটি দেশ বিষয়টি নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করে। এরপরই পাকিস্তান ওই সিদ্ধান্ত নেয় বলে শেহবাজ সরকারের তরফে দাবি করা হয়।

এবার থেকে তীর্থ করায়, এমন গ্রুপের সঙ্গে শিয়া মুসলিমদের ইরাক, ইরানে যেতে হবে। নির্দিষ্ট দিন পেরনোর পর ভিসার মেয়াদ অনুযায়ী ওই দলগুলিকে পাকিস্তানে ফিরতে হবে এবং তাদের সঙ্গে নিয়ে যাওয়া প্রত্যেককে ফিরে আসতে হবে। এমন সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করলে, তবেই শিয়াদের তীর্থের অনুমতি মিলবে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান।

ইসলামাবাদের আরও দাবি, ইরান এবং ইরাক সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করে তবেই সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Share Now
Advertisement