Operation Sindoor: পাকিস্তানে ঢুকে সন্ত্রাসের 'আস্তাকুড়' তছনছ করে জঙ্গিদের মারল ভারত, অপারেশন সিদূঁরকে 'দুঃখজনক' বলল চিন
ভারতের তরফে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে প্রবেশ করে যখন একের পর এক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হয়, তারপর মুখ খোলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ় শরিফ। ভারত রাতের অন্ধকারে 'কাপুরুষের' মত হামলা চালিয়েছে বলে মন্তব্য করা হয় পাক প্রধানমন্ত্রীর তরফে। এমনকী পাকিস্তান হাত গুটিয়ে বসে নেই। সঠিক সময়ে এর যোগ্য জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেন সে দেশের বায়ুসেনার আধিকারিক।
দিল্লি, ৭ মে: মঙ্গলবার রাতে ভারতের তরফে যে অপারেশন সিদূঁর (Operation Sindoor) চালানো হয়, তার কার্যত বিরোধিতা করল চিন (China)। ভারত (India) যেভাবে সামরিক হানাদারি চালিয়েছে, তা 'দুঃখজনক' বলে মন্তব্য করা হয় চিনের তরফে। পাশাপাশি ভারত এবং পাকিস্তান (POK) যাতে শিগগিরই এই উদ্ভুদ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারে, সে বিষয়ে আশা প্রকাশ করা হয় চিনের তরফে। মঙ্গলবার মাঝ রাতে ভারত যখন পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে প্রবেশ করে অপারেশন সিদূঁর শুরু করে, সেই সময় মুজফফরাবাদ, ভাওয়ালপুর, মুরিদকের মত একাধিক জায়গায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় জঙ্গি ঘাঁটি। লস্কর থেকে শুরু করে জইশ-ই-মহম্মদ পরপর ঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা এবং সেনা বাহিনী।
এরপরই মুখ খোলা হয় চিনের তরফে। বেজিংয়ের তরফে জানানো হয়, চিন সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের প্রতিরোধ করে। ভারত এনং পাকিস্তান, দুই দেশই চিনের প্রতিবেশী। ফলে ভারত এবং পাকিস্তান যাতে আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের সমস্যা মিটিয়ে নেয়, সেই আশা প্রকাশ করা হয় চিনের তরফে। শান্তি এবং স্থিতিশীলতার মধ্যে দিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানকে একে অপরের সঙ্গে বসে কাজ করতে হবে বলে জানানো হয় চিনের বিদেশমন্ত্রকের তরফে।
দেখুন কী জানানো হল বেজিংয়ের তরফে...
এদিকে ভারতের তরফে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে প্রবেশ করে যখন একের পর এক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হয়, তারপর মুখ খোলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ় শরিফ। ভারত রাতের অন্ধকারে 'কাপুরুষের' মত হামলা চালিয়েছে বলে মন্তব্য করা হয় পাক প্রধানমন্ত্রীর তরফে। যদিও পাক প্রধানমন্ত্রী যা-ই বলুন না কেন, ভারত যে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিতে বদ্ধপরিকর, তা ফের স্পষ্ট করল দিল্লি।
পহেলগামে (Pahalgam Terror Attack) ২৬ জন নীরিহ পর্যটককে খুন করে পাকিস্তানি জঙ্গিরা। ২২ এপ্রিল পাক জঙ্গিদের সেই নির্লজ্জ হামলার পর আরও একবার রক্তাক্ত হয় ভারতের মাটি। তারপর থেকেই গোটা দেশ যেন প্রতিশোদের আগুনে জ্বলতে শুরু করে। পহেলগামের পর কেন্দ্রীয় সরকার যে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না, সেই কথা স্পষ্ট করে জানানো হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে। এরপর ৭ মে এর সকালে সূর্য ওঠার আগেই পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের পরপর ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল ভারতীয় বায়ুসেনা এবং সেনা বাহিনী একযোগে।