Nepal Unrest: নেপালের সবচেয়ে বড় হোটেল পুড়ছে, জ্বলন্ত পাঁচতারা থেকে বাঁচতে গিয়ে মৃত্যু ভারতীয়র
নেপালে প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের বিরুদ্ধে জেন জ়ি রাস্তায় নামে। এরপর তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পর্যবশিত হয়। ফলে নেতা, মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে যখন গণরোষ অব্যাহত, সেই সময় প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি এবং নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। যার জেরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী দগ্ধ হয়ে মারা যান।
দিল্লি, ১২ সেপ্টেম্বর: নেপালে (Nepal Unrest) তীর্থ করতে গিয়ে এমন পরিণতি হবে, তা কল্পনাও করতে পারেনি গাজ়িয়াবাদের (Ghaziabad) পরিবার। নেপালে জেন জ়ি-এর বিক্ষোভ, প্রতিবাদের জেরে সে দেশের সবচেয়ে বড় পাঁচতারা হোটেলে (Nepal's Tallest Hotel) আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পাঁচতারা হোটেলে আগুন লাগতেই সেখানে গাজ়িয়াবাদের এক মহিলার নির্মম মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।
রিপোর্টে প্রকাশ বছর ৫৮-র নামবীর সিং গোলা স্ত্রী রাজেশ দেবীকে নিয়ে গত ৭ সেপ্টেম্বর নেপালে যান। পশুপতিনাথ মন্দির দর্শনে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে যান রামবীর সিং গোলা। নেপালে যাওয়ার পরপরই রামবীর সিং গোলারা কাঠামাণ্ডুর যে পাঁচতারা হোটেলে ওঠেন, মঙ্গলবার সেখান আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। জেন জ়ি যখন প্রতিবাদে উত্তাল, সেই সময় নেপালের সবচেয়ে বড় পাঁচতারা হোটেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। সেই সময়ই গাজ়িয়াবাদের ওই পরিবারের জীবনে নেমে আসে মৃত্যু। ১০ সেপ্টেম্বর নেপালের ওই পাঁচতারা হোটেল থেকে পালাতে গিয়ে মৃত্যু হয় ভারতীয় (Indian Tourist Died In Nepal) মহিলার।
রামবীর সিং গোলার বড় ছেলে জানান, উন্মত্ত জনতা যখন হিল্টনে আগুন ধরিয়ে দেয়, সেই সময় জানলা ভেঙে সেখানে বিছানার চাদর ঝুলিয়ে তাঁর বাবা, মা নীচে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁর বাবা নামতে পারলেও, মা পারেননি। নীচে নামতে গিয়ে তাঁর কোমরে প্রচণ্ড জোরে আঘাত লাগে।
উদ্ধারকারী দল হাজির হয়ে রামবীর সিং এবং তাঁর স্ত্রী রাজেশ দেবীকে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছয়। রামবীর সিং বেঁচে গেলেও, তাঁর স্ত্রী রাজেশ দেবীর মৃত্যু হয় কাঠমাণ্ডু হাসপাতালে। মৃত্যুর পর বছর ৫৫-র রাজেশ দেবীর মৃতদেহ সীমান্ত পার করে উত্তরপ্রদেশে নিয়ে আসা হয়। শুক্রবার অর্থাৎ ১২ সেপ্টেম্বর রাজেশ দেবীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে জানা যাচ্ছে।
নেপালে গণরোষ কী নিয়ে
নেপালে প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের বিরুদ্ধে জেন জ়ি রাস্তায় নামে। এরপর তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পর্যবশিত হয়। ফলে নেতা, মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে যখন গণরোষ অব্যাহত, সেই সময় প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি এবং নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। যার জেরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী দগ্ধ হয়ে মারা যান।
এসবের পাশাপাশি নেপালের আরও এক প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কুমার দাহালের মেয়ের বাড়িতেও ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। সবকিছু মিলিয়ে নেপাল যেন গণরোষে ফুটতে শুরু করেছে।
(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)