Mass Starvation Peaks In Gaza: গাজ়ায় চূড়ান্ত দুর্ভিক্ষ, খিদের জ্বালায় মরছেন প্যালেস্তিনীয়রা, মানুষের মৃত্যুতেও চোখ খুলছে না ইজরায়েলের, হামাসকেই দায়ি করছেন নেতানিয়াহু

গাজ়ার দুর্ভিক্ষ থামাতে হবে। তার জন্য প্যালেস্তাইনকে একটি পূর্ণাঙ্গ দেশের স্বীকৃতি দিতে হবে এবং সে বিষয়ে তিনি রাষ্ট্রসংঘে প্রস্তাব পেশ করবেন। এমন জানান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মারকনও।

Gaza Mass Starvation (Photo Credit: X)

দিল্লি, ২৫ জুলাই: যুদ্ধ থামছে না। যার জেরে অনাহারে ধুঁকছে গাজ়া। খাবার থেকে জল কিংবা ওষুধপত্র কিছু নেই গাজ়ার (Gaza) মানুষের কাছে। অসহায় হয়ে পড়ে রয়েছে পৃথিবীর এক প্রান্তের একটি ছোট্ট ভূখণ্ড। তাই তো ছোট ছোট বাচ্চারা যেন রিকেট হয়ে যাচ্ছে। খাবার যখন আকাশের চাঁদ মনে হয়, সেই সময় গাজ়া নিয়ে গোটা বিশ্ব জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অথচ গাজ়ার মানুষের পেটে খাবার জোগানো যাচ্ছে না পর্যাপ্ত পরিমাণে। তাইতো গণ দুর্ভিক্ষ (Mass Starvation) শুরু হয়েছে গাজ়ায়। ১০০টির বেশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের তরফে আগেই আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছিল। এখন যেন গোটা বিশ্বের মানুষকে গাজ়া দেখিয়ে দিতে শুরু করেছে, তাঁদের সঙ্গে আদতে কী হচ্ছে।

গাজ়ার বেশ কিছু খণ্ডচিত্র উঠে আসতে শুরু করেছে। যেখানে চিকিৎসকের সঙ্গে এক ছোট্ট মেয়ের কথোপকথন এমন, 'আমি কি এখনও সুন্দর আছি? আমার লম্বা চুল কি আবার আগের মত ঘন হবে?' দক্ষিণ গাজ়ার খান ইউনিস শহরের একটি হাসপাতালের (Gaza Hospital) চিকিৎসক ওয়াফা আবু যখন ওই ছোট্ট মেয়েটির কথা বলছিলেন, তা শুনে যেন চোখে জল চলে আসে গোটা বিশ্বের।

আরও পড়ুন: Palestine: গণ দুর্ভিক্ষ গিলছে, নোংরা থেকে খাবার তুলে খাচ্ছেন গাজ়ার মানুষ, প্যালেস্তাইন নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা ফ্রান্স ঘোষণা করতেই পিছনে পড়ে গেল আমেরিকা

পরিসংখ্যান বলছে, গাজ়ায় এখনও পর্যন্ত ১১০ জন প্যালেস্তিনীয়র (Palestine)  মৃত্যু হয়েছে। যাদের মধ্যে বেশিরভাগ শিশু। খেতে না পেরে, অনাহারে মরতে হয়েছে (Mass Starvation Peaks In Gaza) ওই ১১০ জনকে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজ়ায় হামলা শুরু করে ইজরায়েল। হামাস নিধনের নামে নিরীহ প্যালেস্তিনীয়দের হত্যা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে। সেই থেকে গাজ়াকে গ্রাস করতে শুরু করে দুর্ভিক্ষ। না খেতে পেয়ে মরতে হচ্ছে মানুষকে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে যেখানে গাজ়ার বহু মানুষকে দেখা যাচ্ছে, খিদের জ্বালায় নোংরা, আবর্জনা থেকে খাবার তুলে তাঁরা খাচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলি কী বলছে?

গাজ়ায় যেভাবে ইজরায়েল (Israel) হামলা চালাচ্ছে, তাতে ওই ভূখণ্ডের প্যালেস্তিনীয়রা খাবার পাচ্ছেন না। বর্হিবিশ্ব থেকে যে খাবার, ওষুধ-সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গাজ়ায় ঢুকতে যাচ্ছে, তা ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। ফলে গাজ়ায় গণহত্যা চলছে বলে অভিযোগ রাষ্ট্রসংঘের।

সম্প্রতি একটি রিপোর্টে প্রকাশ পায়, গাজ়ায় প্রায় ৭১ হাজার শিশু রয়েছে, যাদের বেশিরভাগের বয়স ৫-এর কম, তারা খাবারের অভাবে ভুগছে। ম্যালনিউট্রিশন তাদের শরীরে থাবা বসিয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলি গাজ়ায় খাবার পাঠানোর চেষ্টা করছে। গাজ়ার মানুষ যেভাবে গম দুর্ভিক্ষের দিকে এগোচ্ছেন, তাতে অদূর ভবিষ্য়তে কী হবে, তা ভেবে অনেকেই শিউরে উঠতে শুরু করেছেন।

গাজ়ার গণ দুর্ভিক্ষ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমের...

 

গাজ়ার দুর্ভিক্ষ থামাতে হবে। তার জন্য প্যালেস্তাইনকে একটি পূর্ণাঙ্গ দেশের স্বীকৃতি দিতে হবে এবং সে বিষয়ে তিনি রাষ্ট্রসংঘে প্রস্তাব পেশ করবেন। এমন জানান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মারকনও।

প্যালেস্তাইন নিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের এই পর্যবেক্ষণের তীব্র বিরোধিতা করে আমেরিকা। ফ্রান্স যদি এই পদক্ষেপ করে, তাহলে হামাসের প্রপাগন্ডাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলে মন্তব্য করেন মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি মার্কো রুবিও।

ইজরায়েলও বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলে। বর্তমানে গাজ়ার যে অবস্থা, তার জন্য হামাস (Hamas) দায়ি বলে মন্তব্য করা হয় বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সরকারের তরফে।

(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement