Russian Oil: ট্রাম্পের আচমকা নিষেধাজ্ঞায় সমুদ্রে অনিশ্চয়তায় ভাসছে ৪৮ মিলিয়ন ব্যারল রুশ তেল
ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উপর চাপ বাড়াতে নয়া কৌশল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার দুই বড় তেল উতপাদক ও জ্বালানি কোম্পানি রসবেফট (Rosneft) ও লুকওইল (Lukoil)-এর ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
Russian Oil: ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উপর চাপ বাড়াতে নয়া কৌশল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার দুই বড় তেল উতপাদক ও জ্বালানি কোম্পানি রসবেফট (Rosneft) ও লুকওইল (Lukoil)-এর ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে তেল কুটনীতিতে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করেছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার ফলে বিশ্বব্যাপী তেল বাণিজ্যে বড়সড় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। প্রায় ৪৮ মিলিয়ন ব্যারেল রুশ ক্রুড অয়েল বহনকারী ট্যাংকার এখন নির্ধারিত বন্দরগুলোতে পৌঁছাতে পারছে না।
নিষিদ্ধ তেলবাহী প্রায় ৫০টি জাহাজ কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্য ছাড়াই সমুদ্রের ওপর ভেসে রয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক জলপথে সৃষ্টি হয়েছে বড় ধরনের লজিস্টিক সংকট। জাহাজ-পরিচালক ও তেল ব্যবসায়ীরা মরিয়া হয়ে বিকল্প ক্রেতা বা নতুন রুট খুঁজছেন। তবে নিষেধাজ্ঞার বিস্তৃত পরিসর ও মিত্র দেশগুলোর কঠোর অনুসরণের কারণে বিকল্প খোঁজা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
আটকে থাকা তেলের পরিমাণ রাশিয়ার সাধারণত দুই সপ্তাহে রফতানি হওয়া তেলের সমান। যা রুশ অর্থনীতির ওপর ঝড় তুলতে পারে। সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ওঠানামা বাড়তে পারে। স্বল্পমেয়াদে মূল্য বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। রাশিয়ার বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী এই দুই কোম্পানির সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রে ফ্রিজ করা হবে এবং মার্কিন সংস্থাগুলোকে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের বাণিজ্য করতে নিষেধ করা হয়েছে। এতে রুশ জ্বালানি খাত আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।
রুশ সামরিক কার্যক্রমে অর্থের জোগান কমাতেই ওয়াশিংটনের এই উদ্যোগ। এর আগে অন্যান্য সংস্থাকেও একইভাবে টার্গেট করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘদিন সাগরে আটকে থাকার ফলে ট্যাংকারগুলোর বিশাল ডেমারেজ খরচ বাড়ছে। পাশাপাশি বীমা, ক্রু ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও জাহাজ কোম্পানিগুলো জটিলতায় পড়েছে। যেসব দেশ কম দামে রুশ তেলের ওপর নির্ভরশীল, তারা সরবরাহ সংকটে পড়তে পারে। অন্যদিকে সৌদি আরব, আমেরিকা সহ বিকল্প উৎপাদকদের তেলের চাহিদা বাড়তে পারে।
(Social media brings you the latest breaking news, viral news from the world of social media including Twitter, Instagram and YouTube. The above post is embedded directly from the user's social media account. This body of content has not been edited or may not be edited by Latestly staff. Opinions appearing on social media posts and the facts do not reflect the opinions of Latestly, and Latestly assumes no responsibility for the same.)