Terror Financing Case: টেরর ফান্ডিং মামলায় দোষী সাব্যস্ত খাগড়াগড় বিস্ফোরণে জড়িত সাজিদ ও বুরহান শেখ

সন্ত্রাসবাদি কর্যকলাপের জন্য টাকা তোলার (Terror Financing) মামলায় দু'জনকে দোষী সাব্যস্ত করল কলকাতা নগর দায়রা আদালত (City Sessions Court, Kolkata)। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) এই মামলার তদন্ত চালাচ্ছিল। দুজনের নাম শেখ রহমতুল্লা ওরফে সাজিদ (Sheikh Rahamatulla alias Sajid) ও মহম্মদ বুরহান শেখ (Md Burhan Sheikh )। সাজিদের বাড়ি বাংলাদেশে। সে বাংলাদেশ জামাত-উল-মুজাহিদিনের সদস্য। আগামী ১৭ মার্চ এই দুজনের সাজা ঘোষণা করবে আদালত।

নগর দায়রা আদালত (Photo: Twitter)

কলকাতা, ২৮ ফেব্রুয়ারি: সন্ত্রাসবাদি কর্যকলাপের জন্য টাকা তোলার (Terror Financing) মামলায় দু'জনকে দোষী সাব্যস্ত করল কলকাতা নগর দায়রা আদালত (City Sessions Court, Kolkata)। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) এই মামলার তদন্ত চালাচ্ছিল। দুজনের নাম শেখ রহমতুল্লা ওরফে সাজিদ (Sheikh Rahamatulla alias Sajid) ও মহম্মদ বুরহান শেখ (Md Burhan Sheikh )। সাজিদের বাড়ি বাংলাদেশে। সে বাংলাদেশ জামাত-উল-মুজাহিদিনের সদস্য। আগামী ১৭ মার্চ এই দুজনের সাজা ঘোষণা করবে আদালত।

ইডি কর্তারা জানিয়েছেন, জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) নেতা শেখ রহমতুল্লা ওরফে সাজিদ এবং সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মহম্মদ বুরহান শেখ নিজেদের দোষ স্বীকার করেছে। সাজিদকে ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে বিধাননগর পুলিশ এবং অপরদিকে মুচিপাড়ার বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে শিয়ালদা রেলওয়ে স্টেশনের নিকটবর্তী আস্তানা থেকে বুরহানকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরও পড়ুন: MNS Posters: পাকিস্তান ও বাংলদেশের অনুপ্রবেশকারীদের ধরিয়ে দিতে পারলে ৫ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষণা মনসের পোস্টারে

২০১৪ সালে বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণের তদন্তভার নেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপরই ইডি টেরর ফান্ডিং ও অর্থ তছরুপের মামলা রুজু করে। বিস্তারিত তদন্তের পরে, বর্ধমানের সিমুলিয়া গ্রামে ২০ কাঠা জমি ও দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ জারি হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি সাজিদ ও বুরহান সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি আবেদনের মাধ্যমে দোষ স্বীকার করে। এরপর তাদের আবেদনের ভিত্তিতে এই দু'জনকে অর্থ পাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Share Now
Advertisement