TMC Demands Removal Of Jagdeep Dhankhar: রাজ্যপাল জগদীপ ধনখরের অপসারণ চেয়ে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ তৃণমূল, দেওয়া হল স্মারকলিপি

রাজ্য ও রাজ্যপাল সংঘাত আরও বাড়ল। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখরের (Governor Jagdeep Dhankhar) অপসারণ চেয়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের (President Ramnath kovind) কাছে আবেদন জানাল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। আজ সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় (Sukhendu Sekhar Roy) বলেন, "সংবিধান মানছেন না রাজ্যপাল। পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলছেন। তিনি সংবিধানের লক্ষণরেখা লঙ্খন করছেন। প্রশাসন ও মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে কথা বলছেন।"

তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় (Photo: Facebook)

কলকাতা, ৩০ ডিসেম্বর: রাজ্য ও রাজ্যপাল সংঘাত আরও বাড়ল। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখরের (Governor Jagdeep Dhankhar) অপসারণ চেয়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের (President Ramnath kovind) কাছে আবেদন জানাল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। আজ সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় (Sukhendu Sekhar Roy) বলেন, "সংবিধান মানছেন না রাজ্যপাল। পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলছেন। তিনি সংবিধানের লক্ষণরেখা লঙ্খন করছেন। প্রশাসন ও মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে কথা বলছেন।"

তৃণমূল সাংসদ বলেন, "দিল্লির শাহেনশাদের নির্দেশ পালন করছেন রাজ্যপাল। আমরা তাই রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি। আমাদের সংসদীয় দলের তরফে রাষ্ট্রপতির কাছে যাওয়া হয়। আমরা রাজ্যপাল করে কী বলেছেন তার তালিকা তুলে দিয়েছি। রাজ্যপাল স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। এটা বিধানসভার সার্বভৌমত্বর ওপরে আঘাত।কখনও টুইটারে, কখনও সাংবাদিক সম্মেলনে, কখনও নিজেই প্যানেলিস্ট হয়ে গিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে 'বুনো অভিযোগ' শোনাচ্ছেন বাংলার বর্তমান রাজ্যপাল। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী তিনি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান, মন্ত্রীসভার সাথে পরামর্শ না করে কিছু করার এক্তিয়ার তাঁর নেই।" আরও পড়ুন: Mamata Banerjee pays tribute to Netaji: ৭৭ বছর আগে এই দিনে প্রথম পোর্ট ব্লেয়ারে উড়েছিল তেরঙ্গা পতাকা , টুইটারে নেতাজিকে শ্রদ্ধার্ঘ্য মমতার

সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, "রাজ্যপাল যা খুশি তাই বলেছেন। সেটা করে চলেছেন। পুলিশদের ভয় দেখাচ্ছেন রাজ্যপাল। বলছেন ২১ জনের তালিকা তৈরি করেছি। শিল্প সম্মলনের হিসেব চেয়েছেন। উনি কি সিএজি, যে হিসেব চাইবেন। রাজ্যপাল বলেছেন সুষ্ঠু নির্বাচন করব, উনি কে করার। এর জন্য নির্বাচন কমিশন আছে। দিল্লির কথা শুনে চলছেন রাজ্যপাল। রাজ্যপালের অসংবিধানিক ও বেআইনি কাজের নজির ভারতে আর নেই। তাই রাজ্যপালকে অপসারণ করার আবেদন জানানো হয়েছে।"

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement