Tapas Pal Death: 'আমার স্বামীকে ওই হাসপাতাল মেরে ফেলেছে', বিস্ফোরক অভিযোগ তাপস পালের স্ত্রী নন্দিনী পালের

তাপস পালের (Actor Tapas Pal) মৃত্যু নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তাঁর স্ত্রী নন্দিনী পাল (Nandini Pal)। তাঁর অভিযোগ, মুম্বইয়ের (Mumbai) হাসপাতালে তাপস পালের চিকিৎসায় গাফিলতির কারণেই মৃত্যু হয়েছে তাপস পালের। ১৮ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ের বান্দ্রার এক হাসপাতালে মারা যান অভিনেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ তাপস পাল। বুধবার আনন্দবাজার ডিজিটালকে স্বামীর মৃত্যু প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তাঁর স্ত্রী নন্দিনী পাল। অভিযোগ করলেন, তাঁর স্বামীকে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি ন্যায়বিচার চান বলেও জানান নন্দিনী। এই মুহূর্তে মুম্বইয়ে রয়েছেন তাপসের স্ত্রী। এ দিন সেখান থেকে ফোনে তিনি বলেন, “আমার স্বামীকে ওই হাসপাতাল মেরে ফেলেছে। আমি এর ন্যায়বিচার চাইতে মুম্বইয়ে এসেছি।”

তাপস পাল (Photo: Facebook)

কলকাতা, ৫ মার্চ: তাপস পালের (Actor Tapas Pal) মৃত্যু নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তাঁর স্ত্রী নন্দিনী পাল (Nandini Pal)। তাঁর অভিযোগ, মুম্বইয়ের (Mumbai) হাসপাতালে তাপস পালের চিকিৎসায় গাফিলতির কারণেই মৃত্যু হয়েছে তাপস পালের। ১৮ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ের বান্দ্রার এক হাসপাতালে মারা যান অভিনেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ তাপস পাল। বুধবার আনন্দবাজার ডিজিটালকে স্বামীর মৃত্যু প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তাঁর স্ত্রী নন্দিনী পাল। অভিযোগ করলেন, তাঁর স্বামীকে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি ন্যায়বিচার চান বলেও জানান নন্দিনী। এই মুহূর্তে মুম্বইয়ে রয়েছেন তাপসের স্ত্রী। এ দিন সেখান থেকে ফোনে তিনি বলেন, “আমার স্বামীকে ওই হাসপাতাল মেরে ফেলেছে। আমি এর ন্যায়বিচার চাইতে মুম্বইয়ে এসেছি।”

আনন্দবাজার ডিজিটালকে নন্দিনী বলেন, ১ ফেব্রুয়ারি অসুস্থ তাপসকে তিনি বান্দ্রার একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। অভিযোগ, তাপসের অসুস্থতার সম্পর্কে বলতে গেলে সেখানকার চিকিৎসক তা শুনতে রাজি হননি। উল্টে বলেন, রোগীর ‘পাস্ট হিস্ট্রি’ শুনতে তিনি উৎসাহী নন। অভিযোগ, অসুস্থ তাপস পালকে দেখে ওই চিকিৎসক নন্দিনীকে প্রশ্ন করেন, “আপনি কেন ওঁকে হাসপাতালে এনেছেন?” এমনকি ৫০ হাজার টাকা জমা না করলে তাপসের চিকিৎসা শুরু করা হবে না বলে হাসপাতালের তরফে জানানো হয় বলে নন্দিনীর অভিযোগ। কিন্তু মাঝরাতে তাঁর কাছে অত টাকা না থাকায় মেয়ের বাড়িওয়ালার সাহায্যে টাকার বন্দোবস্ত করে তাপসকে ভেন্টিলেশনে দিতে হয় বলে দাবি নন্দিনীর! নন্দিনীর দাবি, ৭ ফেব্রুয়ারি তাপস পালের ভেন্টিলেশন খুলে দেওয়া হয়। তাপস তখন একেবারেই সুস্থ ছিলেন বলে দাবি করে তাঁর স্ত্রী এ দিন বলেন, “আমার দিকে তাকিয়ে ও হাসল। বলল, বাপরে তুমি যা করলে! আমি বলেছিলাম, তুমি একদম ঠিক আছো।” আরও পড়ুন: Coronavirus Scar In India: করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে কলকাতার রাস্তায় মোদি মাস্ক বিলি বিজেপির

এর পর থেকেই সমস্যা শুরু হয় বলে অভিযোগ করে নন্দিনী জানান, ঠিকমতো খেতে দেওয়া হত না তাপস পালকে। নার্সরা ক্যাফেটেরিয়া থেকে খাবার এনে খাওয়াতে বলত। এ নিয়ে তাঁর মেয়ের সঙ্গে এক দিন নার্সদের ঝামেলাও হয়ে বলে নন্দিনীর অভিযোগ। তাঁর আরও দাবি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ফের অসুস্থ হয়ে যান তাপস পাল। আমার সম্মতিতেই ডায়ালিসিস শুরু হয়। নন্দিনী এ দিন বলেন, “হঠাৎ দেখি তাপসকে এক দিন বেঁধে রেখেছে। কেন জানতে চাওয়ায় ওঁরা বলেন, এখন শিফ্টিং চলছে। ওঁকে কারও নজরে রাখা সম্ভব নয়।”

নন্দিনী জানান, এই পরিস্থিতিতেই তাঁরা ঠিক করেন,১৭ ফেব্রুয়ারি তাপসকে নিয়ে কলকাতায় ফিরবেন। কিন্তু সে দিন রাতেই সব ওলটপালট হয়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি। নন্দিনীর দাবি, ওই দিন হাসপাতাল থেকে ফোন করে জানানো হয় তাপস পালের হিমোগ্লোবিন কমে ৩.৫ হয়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, “ওই দিন সকালেই আমি দেখেছি তাপসের হিমোগ্লোবিন ৯। আশ্চর্য রকম ভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওকে রক্ত না দিয়ে আমাদের অনুমতির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এর পর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। পর পর। তখনও সিনিয়র কোনও ডাক্তার নেই। এক জন ট্রেনি আর অন্য এক ডাক্তার।”

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement