গোটা বিশ্বকে দেওয়ার মত কোনও কিছু পাকিস্তানের হাতে নেই। শুধুমাত্র সন্ত্রাসবাদ এবং তার ফসল হিসেবে জঙ্গিদের দিতে পারে পাকিস্তান। মন্তব্য মোদীর। পাকিস্তানের হাতে কোনও ক্ষমতা নেই। সেই কারণে পাকিস্তান জঙ্গিদের সাহায্য নেয় বলে কটাক্ষ করেন মোদী।
বাংলা সিঁদূর খেলার ভূমি। আলিপুরদুয়ারে হাজির হয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি বলেন, আমি যখন সিঁদূর খেলার ভূমিতে এসেছি, তখন সন্ত্রাসবাদের যম অপারেশন সিদূঁর নিয়ে অবশ্যই কথা হবে, আলোচনা হবে। দেশের মা, বোনেদের সিঁদূরে হাত দেওয়ার স্পর্ধা দেখিয়েছিল জঙ্গিরা। এরপরই ভারতীয় সেনা জঙ্গিদের দেখিয়ে দিয়েছে সিঁদূরের ক্ষমনতা কতটা। এমন মন্তব্যও করতে শোনা যায় প্রধান মন্ত্রীকে।
কেন্দ্রীয় সরকারের যে প্রকল্পগুলি রয়েছে, সেগুলি বাংলায় পাঠানো হলেও, তা বাস্তবায়িত হয় না বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে ১৬টি বড় প্রকল্প তৃণমূল কংগ্রেস বন্ধ করে রেখেছে।
বাংলার আদিবাসী জনজাতি মানুষের কথা ভাবে না তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। আলিপুরদুয়ারে হাজির হয়ে এমন অভিযোগও করতে শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। এনডিএ সরকার যখন একজন আদিবাসী মহিলাকে রাষ্ট্রপতি হিসেব মনোনীত করে, তখন তাতে প্রথম বাধা দেয় তৃণমূল কংগ্রেস।
বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা বড় পাপ করেছেন বলে মন্তব্য করেন নরেন্দ্র মোদী। তাই এই সরকারকে বাংলার মানুষ আর বরদাস্ত করবেন না বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলার গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বলে আলিপুরদুয়ারের জনসভা থেকে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। যে স্কুলে শিক্ষক নেই, সেখানকার পড়ুয়াদের ভবিষ্যত অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন মোদী।
বর্তমানে বাংলার যুবকরা দুর্নীতির সঙ্গে লড়াই করছেন। দুর্নীতি কীভাবে শিক্ষক নিয়োগ মামলা ছেয়ে ফেলে, সেই প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে রাজ্যের কয়েক হাজার শিক্ষকের জীবন ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গে ওই শিক্ষকদের যে শিশুরা রয়েছে, তাদের ভবিষ্যও নষ্ট করেছে এই সরকার। অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
মুর্শিদাবাদ এবং মালদায় যা হয়েছে, তা এখানকার সরকারের নির্মমতার উদাহরণ। আলিপুরদুয়ারে হাজির হয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে এভাবেই আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তোষণের নাম করে গুন্ডাদের হাত খুলে দেওয়া হয়েছিল। তার জেরেই মুর্শিদাবাদ এবং মালদার ওই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন মোদী। এই বাবেই কি সরকার চলে বলে প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রী। এসবের পাশাপাশি সরকার যাঁরা পরিচালনা করেন, সেই সমস্ত দলীয় কর্মীরা কিছু মানুষের ঘরবাড়ি চিহ্নিত করে পুড়িয়ে দেয় আর পুলিশ সেখান চুপ করে বসে থাকে। পুলিশ কীভাবে দর্শকের ভূমিক াপলান করে বলে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলায় এমন দিন এসেছে যে প্রত্যেকটি বিষয়ে আদালতকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। কোনও বিষয়ে আদালত হস্তক্ষেপ না করলে, তার সমাধান হয় না বলেও অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাই বাংলার মানুষ বর্তমান সরকারকে চায় না বলেই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।