Dilip Ghosh: অ্যাম্বুল্যান্সে ছিল প্রসূতি, দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের

একদিন আগেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল অ্যাম্বুল্যান্স (ambulance) ঘুরিয়ে দেওয়ার। তিনি বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। কৃষ্ণনগরে (krishnanagar) জেলাশাসকের অফিসের সামনে রাস্তা আটকে সিএএ-এর সমর্থনে সভা করছিল বিজেপি। সেই সভাতেই বক্তব্য রাখছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেই সময় একটা অ্যাম্বুল্যান্স ঘটনাস্থলে চলে এলে তিনি সেটিকে অন্যপথে ঘুরে যেতে বলেন। রাস্তা ছাড়তে রাজি হননি দিলীপবাবু। পরে এনিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাঁর দাবি, সভা বানচাল করতেই ওই অ্যাম্বুল্যান্স পাঠানো হয়েছিল। তাতে কোনও রোগী ছিল না, ফাঁকা অ্যাম্বুল্যান্স। উপস্থিত স্রোতারা এই ঘটনায় অবাক হয়েছিলেন।

দিলীপ ঘোষ। ফাইল ছবি। (Photo Credit: ANI Twitter)

কৃষ্ণনগর, ৮ জানুয়ারিএকদিন আগেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল অ্যাম্বুল্যান্স (ambulance) ঘুরিয়ে দেওয়ার। তিনি বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। কৃষ্ণনগরে (krishnanagar) জেলাশাসকের অফিসের সামনে রাস্তা আটকে সিএএ-এর সমর্থনে সভা করছিল বিজেপি। সেই সভাতেই বক্তব্য রাখছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেই সময় একটা অ্যাম্বুল্যান্স ঘটনাস্থলে চলে এলে তিনি সেটিকে অন্যপথে ঘুরে যেতে বলেন। রাস্তা ছাড়তে রাজি হননি দিলীপবাবু। পরে এনিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাঁর দাবি, সভা বানচাল করতেই ওই অ্যাম্বুল্যান্স পাঠানো হয়েছিল। তাতে কোনও রোগী ছিল না, ফাঁকা অ্যাম্বুল্যান্স। উপস্থিত স্রোতারা এই ঘটনায় অবাক হয়েছিলেন। একদিনের ব্যবধানে সেই দিলীপ ঘোষের নামেই কৃষ্ণনগরের কোতয়ালি থানায় দায়ের হল অভিযোগ।

রোগিণী সমতে অ্যাম্বুল্যান্সকে পথ ছাড়েননি দিলীপ ঘোষ। পথ আটকে রাজনৈতিক সভা করছিলেন। অ্যাম্বুল্যান্সে ছিলেন প্রসূতি। তাঁর নাম মঞ্জিরা বিবি। প্রসব বেদনা ওঠায় বাড়ির লোকজন ওই পথ দিয়ে তাঁকে কৃষ্ণনগর হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। দিলীপবাবু পথ না ছেড়ে বরং অ্যাম্বুল্যান্সকেই ফাঁকা বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, পরিকল্পনা করে সিএএ-র সমর্থনে সভা বানচাল করার উদ্দেশ্যেই ওই অ্যাম্বুল্যান্সটিকে পাঠানো হয়েছে। এদিন প্রসূতির পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও তাঁরা এনিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। মুখে খুলুপ এঁটেছে কৃষ্ণনগরের স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। আরও পড়ুন-Dilip Ghosh: রাস্তা আটকে সিএএ-র সমর্থনে বিজেপির সভা, অ্যাম্বুল্যান্সকে পথ ছাড়লেন না দিলীপ ঘোষ

সামনেই কৃষ্ণনগরের পুরভোট, তার আগে এই সভা করে বিজেপি আসলে সেখানকার শক্তির পরিকাঠামো কতটা মজবুত তা একবার পরখ করে নিতে চাইছে। স্থানীয় বিজেপি নেতাদের দাবি কৃষ্ণনগর উত্তরের লোকেই সভাস্থল ভরেছিল। প্রায় দু’হাজার লোকছিল। এখন এখানেও উড়বে গেরুয়া পতাকা। তবে স্থানীয় তৃণমূল নেতা অসীম সাহার দাবি, “কোথায় লোক? এত ছন্নছাড়া মিছিল আগে কোনও দিন দেখিনি। খোঁজ নিয়ে দেখেছি, বেশির ভাগ লোক এসেছেন পাশের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাগদা-বনগাঁ থেকে। কৃষ্ণনগর শহর থেকে খুব বেশি বলে ৫০টা লোক ছিল।”

 

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement