Bou Bazar Building Collapse: বৌ বাজারে আতঙ্ক বজায় রেখে এখনও ধ্বংসলীলা চলছে, স্য়াকরা পাড়া লেনে হুড়মুড়িয়ে ভাঙল সম্পূর্ণ

আবারও হুড়মুড়িয়ে ভাঙলো বাড়ি। বৌ বাজারের (Bou Bazar) ভয়ঙ্কর ধসে এলাকা যেন শ্মশান হয়ে যাচ্ছে। দু'দিন আগেও যে বাড়িটি মাথা তুলে দাঁড়িয়ে ছিল আজ পড়ে রয়েছে তার ধ্বংসাবশেষ। মানুষহীন হয়ে পড়েছে ওই এলাকা। হাউ মাউ করে কাঁদছেন বাড়ির বাসিন্দারা। কাউকে ছাড়তে হয়েছে সাত পুরুষের বাড়ি কারো আবার জীবনের শেষ সম্বল দিয়ে বানানো সাধের ইমারত। চোখের সামনে সবটাই শেষ হয়ে যাচ্ছে।

বৌ বাজারে বাড়ি ধস (Photo Credits: File Image)

কলকাতা, ৯ সেপ্টেম্বর:  আবারও হুড়মুড়িয়ে ভাঙলো বাড়ি। বৌ বাজারের (Bou Bazar) ভয়ঙ্কর ধসে (Building collapse) এলাকা যেন ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। দু'দিন আগেও যে বাড়িটি মাথা তুলে দাঁড়িয়ে ছিল আজ পড়ে রয়েছে তার ধ্বংসাবশেষ। মানুষহীন হয়ে পড়েছে ওই এলাকা। হাউ মাউ করে কাঁদছেন বাড়ির বাসিন্দারা। কাউকে ছাড়তে হয়েছে সাত পুরুষের বাড়ি কারো আবার জীবনের শেষ সম্বল দিয়ে বানানো সাধের ইমারত। চোখের সামনে সবটাই শেষ হয়ে যাচ্ছে।

আগে থেকেই বিপজ্জনক বাড়ির তালিকায় ছিল স্যাকরা পাড়া লেনের এই বাড়িটি। সিঁড়ি ভাঙতে শুরু করেছিল বাড়িটির। বাড়ির পিছনের অংশও ভেঙে গিয়েছিল। আজ সকালে পুরোটাই শেষ। রবিবার কেএমসিআরএল- র (KMRCL) তরফে জানানো হয়েছে, দুর্গা পিতুরি লেনের (Durga Pituri Lane) বাসিন্দারা ছাড়পত্র দিয়েছেন সোমবার থেকে এলাকার বিপজ্জনক বাড়ি ভেঙে ফেলা হবে। সেই মতো ম্যান পাওয়ার মেশিনও আজ আনা হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই আজ স্যাকরা পাড়া লেনের (Shyakra Para Lane) আরো একটি বাড়ি ভেঙে পড়ল। আরও পড়ুন, বৌ বাজারে বাড়ি ধসে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্তদের ৫ লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা মেট্রোর

বাড়ির মালিক জানিয়েছেন, এই বাড়িটাই তাঁদের শেষ সম্বল। দু' বছর আগে তাঁর স্বামী মারা যাওয়ার পর ছেলেকে নিয়েই থাকতেন তিনি। এরপর আজকের এই ঘটনায় একপ্রকার নিরুপায় পড়েন তাঁরা। ২০২০ তে ছেলের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা, একখানা বইও উদ্ধার করে উঠতে পারেননি তিনি। ছেলে পড়াশুনাই বা কীকরে করবে তাই নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন তিনি।

তিনি আরও জানান, নিজের বাড়ি থাকতেও আজ আশ্রয়হীন। গত সপ্তাহে ১০ মিনিটের জন্য ঘরের ভিতরে ঢোকার সুযোগ পেলেও বিশেষ কিছুই উদ্ধার করে উঠতে পারেননি তাঁরা। বৌ বাজার জুড়ে এখন শুধু কান্নার আর্তনাদ। অসহায় মানুষগুলোর আশ্রয়হীন হয়ে পড়ার কান্নায় স্তব্ধ এই এলাকা। কী হবে এদের ভবিষ্যৎ, তা কেউ জানেনা।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement