21st July: 'ছাগলের থার্ড বাচ্চা, তিড়িং তিড়িং করে লাফায়' শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে বাংলার বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ ফিরহাদের
ফিরহাদ হাকিম বাংলা এবং বাঙালিদের উপর বিজেপি শাসিত রাজ্যে আক্রমণ হচ্ছে বলে মোদী সরকারকে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, আজ বাংলা বিরোধীদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু হয়েছে। বাংলা ভাষায় কথা বললেই কি তিনি বাংলাদেশি? যাঁদের যাঁদের বিরুদ্ধে অত্যাচার হচ্ছে, তাঁদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠুন। মুখ বুজে থাকবেন না।'
কলকাতা, ২১ জুলাই: ২১ জুলাইয়ের (21st July) মঞ্চ থেকে বিজেপিকে (BJP) কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। তিনি বলেন, বিজেপি যবে থেকে এসেছে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে ভাটা পড়েছে । এটা রামকৃষ্ণের বাংলা, এটা স্বামী বিবেকাবন্দের বাংলা। এটা রবীন্দ্রনাথের বাংলা যেখানে হিন্দু, মুসিলমের জন্য তিনি একসঙ্গে রাস্তায় নেমেছিলেন। এই বাংলা কাজি নজরুল ইসলামের বাংলা। তাই এখানে সাম্প্রদায়িক তফাৎ গড়া মানুষের মাঝে যাবে না।
ফিরহাদ হাকিম আরও বলেন, 'আমরা সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। আমাদের ৫০ হাজার ছেলে গুলি খেয়ে মারা গিয়েছে। সেদিনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন। আমরা বাংলার মানুষের পাশে থাকব। আজ সিপিএম মুক্ত বাংলা হয়েছে। দরকার হলে আরও রক্ত দেব। যেখানেই অন্যায় হবে, সেখানে গর্জে উঠবেন মমতা।'
আরও পড়ুন: Shahid Dibas: শহিদ দিবস কেন পালন করে তৃণমূল কংগ্রেস? ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই কী ঘটেছিল, জানুন সেই ইতিহাস
এরপরই ফিরহাদ হাকিম বাংলা এবং বাঙালিদের উপর বিজেপি শাসিত রাজ্যে আক্রমণ হচ্ছে বলে মোদী সরকারকে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, আজ বাংলা বিরোধীদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু হয়েছে। বাংলা ভাষায় কথা বললেই কি তিনি বাংলাদেশি? যাঁদের যাঁদের বিরুদ্ধে অত্যাচার হচ্ছে, তাঁদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠুন। মুখ বুজে থাকবেন না। যাঁরা এ রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে গিয়েছেন কাজ করতে, তাঁরা আমাদের ভাই। তা যে রাজ্যই হোক না কেন। আমরা একসঙ্গে থাকি। আমরা বিশ্বাস করি, 'বিবিধের মাঝে দেখি মিলন মহান।' আজ বিনয়, বাদল, দীনেশ, মাতঙ্গিনী হাজরা-রা না থাকতেন, তাহলে ভারতের এই স্বাধীনতা হত না। বাংলাকে অপমান করবেন না। বাংলা যদি ভারতের স্বাধীতা আনতে পারে, তাহলে দিল্লি থেকে নরেন্দ্র মোদী সরকারকেও বাংলা উৎখাত করতে পারে। বললেন ববি হাকিম।
বাংলার বিজেপি নেতাদের চরম কটাক্ষ করে ববি হাকিম বলেন, 'এই বাংলার বিজেপি হল ছাগলের থার্ড বাচ্চা। তাই তিড়িং তিড়িং করে লাফায়।' তাই বাংলা এবং বাঙালির অপমানের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়তে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এগিয়ে যেতে হবে।