Faridabad: লকডাউনের কারণে অভাবী বৃদ্ধ ভেলপুরিওয়ালাকে সাহায্য করতে ৫৭,০০০ টাকা অনুদান নেটিজেনদের

ইন্টারনেটে 'বাবা কা ধাবা' ভাইরাল হওয়ার পর সাত মাসে মুখথুবড়ে পড়া ব্যবসার হাল ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এখন ইন্টারনেটের দুনিয়ায় কী না হচ্ছে! অনেক মানুষের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসছেন নেটিজেনরা। এবার নেটিজেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন এক ভেলপুরি বিক্রেতার দিকে। ফরিদাবাদের চাঙ্গা বাবার লকডাউনে ভেলপুরি বিক্রি একেবারে বন্ধ ছিল। এছাড়া, তার অন্য কোনও উপার্জন করার মতো ব্যবসাও নেই। ৮৬ বছর বয়সী চাঙ্গা বাবার কানাকড়িও বেচে ছিল না পেট চালানোর মতো।

ফরিদাবাদের ভেলপুরিওয়ালা (Photo Credits: thegreatindianfoodie Instagram)

ইন্টারনেটে 'বাবা কা ধাবা' ভাইরাল হওয়ার পর সাত মাসে মুখথুবড়ে পড়া ব্যবসার হাল ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এখন ইন্টারনেটের দুনিয়ায় কী না হচ্ছে! অনেক মানুষের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসছেন নেটিজেনরা। এবার নেটিজেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন এক ভেলপুরি বিক্রেতার দিকে। ফরিদাবাদের (Faridabad) চাঙ্গা বাবার লকডাউনে ভেলপুরি বিক্রি একেবারে বন্ধ ছিল। এছাড়া, তার অন্য কোনও উপার্জন করার মতো ব্যবসাও নেই। ৮৬ বছর বয়সী চাঙ্গা বাবার কানাকড়িও বেচে ছিল না পেট চালানোর মতো। আরও পড়ুন, যুবতিকে ধর্ষণ, জোর করে গর্ভপাত ও প্রতারণার অভিযোগ; মিঠুন চক্রবর্তীর ছেলে ও স্ত্রীর নামে এফআইআর

নিউ নরমালে পুনরায় ভেলপুরি বিক্রি করতে গিয়েও করোনাকালে রাস্তার খাবার খেতে এগিয়ে আসছিলেন না কেউই। এক ব্যক্তি তার দুর্দশার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান। বৃদ্ধ জানান, তাঁকে পরিবার চালাতে হয়। পরিবারকে দু'বেলা অন্ন জোগাতে পারছিলেন না তিনি। তাঁর ছেলে প্যারালাইজড, হাঁটতে অক্ষম। তাঁর স্ত্রী পাঁচ বছর আগেই মারা গেছেন, এমনকি বড় ছেলেও আর বেঁচে নেই। ছেলের বউ লোকের বাড়ি কাজ করে সামান্য অর্থ ঘরে নিয়ে আসে, তারও তিন সন্তান। কিন্তু করোনার কারণে ছেলের বউয়ের কাজও ছিল বন্ধ। পরিবারের সামান্যতম আয়ে একপ্রকার চলছিল না।

এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় আসতেই তাঁর জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন নেটিজেনরা। যে অর্থ জোগাড় করা যায় পুরোটাই তুলে দেওয়া হয় বৃদ্ধের হাতে। তবে ভিডিও বার্তায় এটিও জানানো হয়েছে কেউ যদি চাঙ্গা বাবার সাহায্যের নাম করে অর্থ চায় সেই ফাঁদে পা না দিতে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Share Now
Advertisement