Benefits of Ginger in Relieving Cough: কাশি হবে দূর, এক টুকরো আদাতে । জেনে নিন কিভাবে ব্যবহার করবেন
কাশি একটি অস্বস্তিকর সমস্যা, ঠান্ডা, ধুলো, অ্যালার্জি বা ভাইরাল সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। এই উপসর্গ থেকে স্বস্তি পেতে আদা দারুন কাজ করে। আদার অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল গুণাগুণ কাশি কমাতে উল্লেখযোগ্যভাবে সাহায্য করে।
কাশি একটি অস্বস্তিকর সমস্যা, ঠান্ডা, ধুলো, অ্যালার্জি বা ভাইরাল সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। এই উপসর্গ থেকে স্বস্তি পেতে আদা দারুন কাজ করে। আদার অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল গুণাগুণ কাশি কমাতে উল্লেখযোগ্যভাবে সাহায্য করে।
কিভাবে ব্যবহার করবেন:
কিছুটা কুচোনো আদা গরম জলে ফুটিয়ে নিন। ৫-৭ মিনিট ফুটে গেলে ছেঁকে নিয়ে একটু মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। দিনে ২-৩ বার খেলে কাশি ও গলা ব্যথা কমবে।
এক চামচ আদার রসের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে নিন। দিনে ২-৩ বার খেলে শুকনো কাশি ও গলার খুসখুসে ভাব দূর হবে।
আদা কুচি ও কয়েকটি তুলসী পাতা একসঙ্গে ফুটিয়ে সেই জল পান করলে শ্বাসনালী পরিষ্কার হয় এবং কাশি প্রশমিত হয়।
আদা, মধু ও লবঙ্গ একসাথে ফুটিয়ে ঘন করে ছোট ছোট টুকরো বানিয়ে চুষতে পারেন, যা কাশির ঘন ঘন ভাব কমায়।
বাসক পাতার সঙ্গে আদার রস কাশি উপশমের কার্যকরী ভূমিকা নেয়। প্রথমে কয়েকটি বাসক পাতা নিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে এরপর এক গ্লাস জলে বেশ কিছুক্ষণ ফুটাতে হবে। ওই জলে কিছুটা তালমিছরি এবং কয়েকটি আদা থেতো করে দিয়ে দিলেই ওই জল ফুটে যখন এক কাপ হবে নেবে তা ছেঁকে নিয়ে পান করুন। সারাদিনে দুবার ব্যবহার করলেই কাশি উধাও।
যদি অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে, তাহলে খালি পেটে আদা না খাওয়াই ভালো। এছাড়া যাদের রক্ত পাতলা করার ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন হয়, তাদের ক্ষেত্রে আদা খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।