Twinkle Sharma Murder Case: তিন ছোট্ট মেয়ের হত্যার দ্রুত বিচার চাইছে গোটা দেশ, নিন্দায় নেটিজেন থেকে সেলেব-রাজনীতিবিদরা
টুইঙ্কল শর্মা। ছোটদের কবিতা- টুইঙ্কল, টুইঙ্কল লিটল স্টার... এই কবিতার সঙ্গে নাম মিলিয়েই রাখা হয়েছিল ওর নাম। আলিগড়ের আড়াই-তিন বছরের ছোট্ট মেয়েটার কোনও অপরাধ ছিল না। অপরাধ কি সেটাই ও জানতো না। তবু ওকে নৃশংসভাবে খুন হতে হয়।
আলিগড়,৭ জুন: টুইঙ্কল শর্মা (Twinkle Sharma)। ছোটদের কবিতা- টুইঙ্কল, টুইঙ্কল লিটল স্টার... এই কবিতার সঙ্গে নাম মিলিয়েই রাখা হয়েছিল ওর নাম। আলিগড়ের আড়াই-তিন বছরের ছোট্ট মেয়েটার কোনও অপরাধ ছিল না। অপরাধ কি সেটাই ও জানতো না। তবু ওকে নৃশংসভাবে খুন হতে হয়। চাষের জমি থেকে কুকুরদের জমায়েতের মধ্যে থেকে টুইঙ্কলের পচা গলা দেহটা উদ্ধার করা হয়েছিল। একরত্তি মেয়েটাকে হত্যার কারণ হল, ওর বাবা ৫ হাজার টাকা ধার নিয়ে শোধ দিতে পারছিলেন না। সেই রাগে টুইঙ্কলকে মেরে ফেলে চোখ উপড়ে নেয় খুনিরা।
পুলিসের প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে, খুনিরা টুইঙ্কলের প্রতিবেশী। টুইঙ্কলের হত্য়ার বিচার চেয়ে গোটা দেশের সঙ্গে সরব রাজনীতিবিদ থেকে বলিউড তারকারা। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের তপপাল শহরে। খবর, তিন দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর গত ২ জুন মেয়েটির দেহ খুঁজে পাওয়া যায় তারই বাড়ির কাছে আবর্জনা ফেলার জায়গায়। আরও পড়ুন- বাবা দেনা শোধ করতে না পারায় শিশুকন্যাকে খুন, আলিগড়ে চাঞ্চল্য
বলিউড তারকা অক্ষয় কুমার থেকে অভিষেক বচ্চন, সানি লিওন, আয়ুষ্মান খুরানা। কংগ্রেস সভাপাতি রাহুল গান্ধী থেকে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা বঢ়রা গান্ধী থেকে দেশের নানা রাজনীতিবিদ। সবাই এই ঘটনার নিন্দা করেছেন। নেটিজেনরাও ছোট টুইঙ্কলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে সরব হয়েছেন। মা-বাবার ঋণ কেন নিজের জীবন দিয়ে শোধ করতে হল একরত্তি শিশুটিকে? উঠছে প্রশ্ন।
বিখ্যাত গীতিকার-চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার, এই কাণ্ডে দোষীদের প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
টুইট করে ঘটনার নিন্দা করেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢ়রা
কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীও সরব হয়েছেন
গত ৩১ মে ওই শিশুর বাবা আলিগড় থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। তারপর বুধবার স্থানীয় একটি চাষের জমিতে কুকুরদের জমায়েত এবং তীব্র দুর্গন্ধে সন্দেহ হয় এলাকাবাসীর। খবর দিলে আলিগড় থানার পুলিশ ওই শিশুর মৃতদেহ ( Girl child) উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। অপহরণ, খুন-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তে নামে পুলিশ, এরপর দু’জনকে গ্রেপ্তারও করা হয়। কিন্তু কেন একরত্তি শিশুকে এমন নৃশংস হত্যা। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, এলাকারই বাসিন্দা জাহিদ নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৫০০০ টাকা ধার নিয়েছিলেন ওই শিশুর বাবা। জাহিদ আবার তাঁদের আত্মীয়ও। ঘটনার কয়েক দিন আগেই জাহিদের সঙ্গে নিহত শিশুর বাবা ও দাদুর সঙ্গে ওই টাকা নিয়ে বচসা হয়। তার জেরেই এই খুন বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। খুনের আগে ওই শিশুকে অপহরণ করে কোথাও রাখা হয়েছিল কিনা, খুনের ঘটনায় আরও কেউ যুক্ত কিনা, এই সব বিষয়ই খতিয়ে দেখে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।