Wife Killed Husband With Help Of Lover: মায়ের প্রেমিকের সঙ্গে প্রেম, বিয়ের পরই স্বামীকে গলা চিরে খুন করাল সদ্য বিবাহিত স্ত্রী, দেহ ছুঁড়ে ফেলল রাস্তার পাশে

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, তিরুমালা রাও আগে ছিল প্রেমিকার মায়ের প্রেমিক। কুর্নুলের একটি ফিনান্স কোম্পানিতে চাকরি করত তিরুমালা। ওই অফিসে কাজ করতে যাওয়া সুজাতার সঙ্গে প্রথমে সম্পর্কে জড়ায় তিরুমালা। এরপর সুজাতার মেয়ে ঐশ্বর্যর সঙ্গে দ্বিতীয় সম্পর্কে জড়ায় সে।

Telangana Murder (Photo Credit: X)

হায়দরাবাদ, ২৭ জুন: স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন আবার। উত্তরপ্রদেশের মুসকান রাস্তোগি (Muskan Rastogi), মধ্যপ্রদেশের সোনেম রঘুবংশীর (Sonam Raghuwanshi) পর এবার তেলাঙ্গানার (Telangana Murder) ঐশ্বর্য (Aishwarya) । স্ত্রীর হাতে স্বামীর খুনের ঘটনায় ফের আরও একটি নাম যুক্ত হল। তেলাঙ্গানার বাসিন্দা ২৩ বছরের ঐশ্বর্যর সঙ্গে বিয়ে হয় বছর ৩২-এর গন্টা তেজেশ্বরের। বিয়ে ভালভাবে মিটে গেলে হিটম্যান ভাড়া করে স্বামীকে খুন করায় ঐশ্বর্য। এখানেও প্রেমিক তিরুমালা রাওকে দিয়েই সদ্য বিবাহিত স্বামী তেজেশ্বরকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয় ঐশ্বর্য নামের ওই তরুণী।

রিপোর্টে প্রকাশ, ঐশ্বর্যর সঙ্গে  বিয়ের পর তেজেশ্বর গত ১৭ জুন বাড়ি থেকে বের হন। বাড়ি থেকে সামান্য কাজের জন্য বাইরে বেরিয়েও তিনি ফেরেননি। ফলে তেজেশ্বরের দাদা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। নিখোঁজ ডায়রি নথিভুক্ত করে, তেজেশ্বরের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ দেখতে পায়, তেজশ্বর বাড়ি থেকে ৪ জনের সঙ্গে গাড়ি নিয়ে বের হন। বাড়ি থেকে বেরনোর ৪ দিনের মাথায় অর্থাৎ ২১ জুন তেজেশ্বরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলের পানিয়ম থেকে।

আরও পড়ুন: Sonam Raghuwanshi On Raj Kushwaha: ভাড়াটে গুন্ডারা না পারলে রাজাকে সেই ধাক্কা দেবে পাহাড়ের উপর থেকে, সোনমের পরিকল্পনায় শিউরে উঠবেন

খুনের পরিকল্পনা কীভাবে করে ঐশ্বর্য 

জানা যায়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তেজেশ্বরের সঙ্গে ঐশ্বর্যর বাগদান সম্পন্ন হয়। তেজেশ্বরের সঙ্গে বাগদান করলেও তিরুমালার সঙ্গে ঐশ্বর্যর সম্পর্ক আগের মতই ছিল। কিন্তু বিয়ে করলে ঐশ্বর্য, তিরুমালার সম্পর্কের কী হবে, তা ভেবে তেজেশ্বরকে খুন করে ওই তরুণী এবং তার প্রেমিক।

তিরুমালা রাও এক এজেন্টের কাছে যায় (নাগেশ)। ওই ব্যক্তিকে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে তেজেশ্বরকে খুনের কথা জানায়। এরপর নাগেশ পিছনে পড়ে যায় তেজেশ্বরের। তাঁর ফোনের জিপিএস ট্র্যাক করে কুর্নুলে গিয়ে তেজেশ্বরকে খুন করে নাগেশ। গাড়ির মধ্যে ঢুকে তেজেশ্বরের গলা চিরে, পেটে পরপর কোপ দিয়ে নাগেশ তাঁকে খুন করে।

খুনের পর তিরুমালা যায় কুর্নুলে এবং তেজেশ্বরের দেহ জাতীয় সড়কের পাশে ফেলে দেয়। সেখানে থেকে তেজেশ্বরের দেহে পচনও ধরে যায়। এরপর খুনিরা রাস্তায় পোশাক পালটে, তেজেশ্বরের মোবাইল ফোন ক্যানালে ফেলে দেয়। খুনের পর তিরুমালা আরও ১ লক্ষ টাকা দেয় নাগেশকে। পুলিশ গোটা ঘটনা প্রকাশ্যে আনার পর, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর তল্লাশি।

তিরওমালা রাও আগে ঐশ্বর্যর মায়ের প্রেমিক ছিল

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, তিরুমালা রাও আগে ছিল প্রেমিকার মায়ের প্রেমিক। কুর্নুলের একটি ফিনান্স কোম্পানিতে চাকরি করত তিরুমালা। ওই অফিসে কাজ করতে যাওয়া সুজাতার সঙ্গে প্রথমে সম্পর্কে জড়ায় তিরুমালা। এরপর সুজাতার মেয়ে ঐশ্বর্যর সঙ্গে দ্বিতীয় সম্পর্কে জড়ায় সে। সম্পর্কের মাঝে তিরুমালাকেই বিয়ে করবে বলে কথা দেয় ঐশ্বর্য। তবে তাদের মাঝে চলে আসেন তেজেশ্বর। এরপর তেজেশ্বরের সঙ্গেই বিয়ে হয় ঐশ্বর্যর।

পুলিশ সূত্রে খবর, তেজেশ্বরকে যাতে ঐশ্বর্য বিয়ে করে, তার জন্য ওই তরুণীর মা এবং পরিবার পরিজনরা সবাই বলতে শুরু করে। পরিবারের চাপে পড়ে তেজেশ্বরকে বিয়ে করে ঐশ্বর্য। তবে বিয়ের পরই যাতে তেজেশ্বরকে খুন করা যায়, সেই পরিকল্পনা করে ঐশ্বর্য এবং তিরুমালা। শুধু তাই নয়, খুনের পর লাদাখে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে তিরুমালা এবং ঐশ্বর্য।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement