Supreme Court: লকডাউনের কারণে কর্মীদের বেতন না দিলেও বেসরকারি সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে নয়: সুপ্রিম কোর্ট

লকডাউনের (Coronavirus Lockdown) কারণে কর্মীদের বেতন (Wages) না দিলেও কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না বেসরকারি কম্পানিগুলির (Private Employers) বিরুদ্ধে। শুক্রবার এই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। জুলাই মাসের শেষ পর্যন্ত নিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে বেতন না দিলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। শীর্ষ আদালত বলেছে যে, প্রয়োজনে বেতন দেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন রাজ্যের কর্মচারী ও নিয়োগকারীদের মধ্যে আলোচনাও চালানো যেতে পারে। তারপর সেই আলোচনার বিষয়ে লেবার কমিশনারদের কাছে একটি রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

সুপ্রিম কোর্ট (Photo Credits: IANS)

নতুন দিল্লি, ১২ জুন: লকডাউনের (Coronavirus Lockdown) কারণে কর্মীদের বেতন (Wages) না দিলেও কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না বেসরকারি কম্পানিগুলির (Private Employers) বিরুদ্ধে। শুক্রবার এই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। জুলাই মাসের শেষ পর্যন্ত নিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে বেতন না দিলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। শীর্ষ আদালত বলেছে যে, প্রয়োজনে বেতন দেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন রাজ্যের কর্মচারী ও নিয়োগকারীদের মধ্যে আলোচনাও চালানো যেতে পারে। তারপর সেই আলোচনার বিষয়ে লেবার কমিশনারদের কাছে একটি রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

২৯ মার্চ কেন্দ্রীয় সরকার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় যে, লকডাউনের সময় কর্মচারীদের পুরো বেতন দেওয়া বাধ্যতামূলক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে কোনও কাটছাঁট না করেই বেতন দেওয়ার কথা বলা হয়। কেন্দ্রের গত ২৯ মার্চ জারি করা নির্দেশিকার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে স্মল স্কেল ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন, লুধিয়ানা হ্যান্ড টুলস অ্যাসোসিয়েশন, ফিকাস প্যাকস এবং অন্যান্য কয়েকটি বেসরকারি সংস্থা। এবার ওই নির্দেশিকার বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে আদালত। এই বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্যে কেন্দ্রী. সরকারকে আরও ৪ সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন: Fact Check: করোনাভাইরাস রুখতে খান এই ওষুধ, দিল্লির হাসপাতালের নাম করে হোয়াটসঅ্যাপে ভাইরাল ভুয়ো মেসেজ

শীর্ষ আদালতের বিচারপতি অশোক ভূষণ, বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কৌল এবং বিচারপতি এমআর শাহর বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, "কোনও সন্দেহ নেই যে শিল্পক্ষেত্র এবং শ্রমিক - একে অপরের পরিপূরক। এদের মধ্যে বেতন সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা মেটানো প্রয়োজন। দু'তরফেরই একে অপরকে প্রয়োজন আছে। তাই ওই ৫০ দিনের বেতন দেওয়া সংক্রান্ত বিরোধের সমাধান করার চেষ্টা করা উচিত।" আগামী জুলাইয়ের শেষে এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement