Woman Harassed For Dowry Video: পণের দাবিতে অত্যাচার, বাচ্চাদের মা মা করে কান্নার মাঝেই গৃহবধূর 'মারণ' ঝাঁপ, বউ মুখ থুবড়ে পড়তেই লাথি, চড় স্বামী, শ্বশুরবাড়ির লোকের, দেখুন মর্মান্তিক ভিডিয়ো
আলিগড়ের এই ভিডিয়ো যেন এই সমাজে আরও একটি বিরাট ধাক্কা। নিজের সন্তানদের সামনে কীভাবে স্বামীর হাতে মার খেতে হচ্ছে গৃহবধূকে, তা এই ভিডিয়ো থেকে ফুটে উঠেছে। সেই ঙ্গে রয়েছে শ্বশুরবাড়ির লোকের আকথা, কুকথা। বার বার ওই মহিলাকে অপমান করে,তাঁকে মরে যাওয়ার কথা বলা হয়। ওই মহিলাকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয় এক প্রকার।
দিল্লি, ৩ সেপ্টেম্বর: পণের (Dowry) জন্য এখনও যে কত মহিলাকে (Wife) অত্যাচার সহ্য করতে হয়, তা এই ভিডিয়ো (Video) না দেখলে বুঝতে পারবেন না। এবার স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকের যৌতুকের দাবিতে অত্যাচারের জেরে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করলেন এক মহিলা। গ্রেটার নয়ডা, বেঙ্গালুরুর পর এবার উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) আলিগড়ে আরও একটি ভয়ঙ্কর ঘটনা দেখা যায়।
পণের (Dowry Demand) দাবিতে এক গৃহবধূর উপর কীভাবে অত্যাচার করা হচ্ছে, তা উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ের এই ভিডিয়ো (Video) থেকে আপনার সামনে উঠে আসবে। শ্বশুরবাড়ির লোকের ক্রমাগত অত্যাচার, মারধর সহ্য করতে না পেরে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এক মহিলা। এরপর ওই মহিলাকে দেখা যায়, দোতলা বাড়ির ছাদে উঠে যেতে। এরপর দোতলা বাড়ির ছাদ থেকে নীচে ঝাঁপ দিতে দেখা যায় ওই মহিলাকে।
আলিগড়ের এই ভিডিয়ো যেন এই সমাজে আরও একটি বিরাট ধাক্কা। নিজের সন্তানদের সামনে কীভাবে স্বামীর হাতে মার খেতে হচ্ছে গৃহবধূকে, তা এই ভিডিয়ো থেকে ফুটে উঠেছে। সেই ঙ্গে রয়েছে শ্বশুরবাড়ির লোকের আকথা, কুকথা। বার বার ওই মহিলাকে অপমান করে,তাঁকে মরে যাওয়ার কথা বলা হয়। ওই মহিলাকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয় এক প্রকার।
দেখুন পণের জন্য কীভাবে অত্যাচার করা হচ্ছে বাড়ির বউকে...
স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকের কুকথা সহ্য করতে না পেরে অবশেষে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে নীচে পড়েন ওই মহিলা। ছাদ থেকে ঝাঁপ দিতেই গুরুতর চোট পান তিনি। তবে তাঁকে নিস্তার দেওয়া হয়নি। ছাদের উপর থেকে ঝাঁপ দেওয়ার পর ওই মহিলা যখন মুখ থুবড়ে মাটিতে পড়েন, সেই অবস্থায় তাঁর স্বামী তাঁকে লাথি,চড়, থাপ্পড় মারতে শুরু করে।
বাড়ির ছাদের উপর থেকে মায়ের ঝাঁপ দেওয়া এবং তাঁকে মারধরের যে ঘটনা, তা সহ্য করতে পারছিল না খুদেগুলি। তারা মা, মা করে চিৎকার করতে থাকে। কাঁদতেও শুরু করে। তাও ওই মহিলার উপর অত্যাচার বন্ধ হয়নি।