Sheikh Hasina's Extradition: বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়া হবে হাসিনাকে? মোদী-ইউনুস বৈঠকের পর বড় কথা জানাল দিল্লি

প্রধানমন্ত্রী পদে শেখ হাসিনা ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন গত বছর অগাস্ট মাসে। শেখ হাসিনার পলায়নের পর থেকে বাংলাদেশের হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি ক্রমাগত খারাপ হতে শুরু করেছে বলে জানা যায়। যা নিয়ে ভারতের তরফে একাধিকবার উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

Sheikh Hasina (Photo Credit: Instagram)

দিল্লি, ৪ এপ্রিল: শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে প্রত্যার্পণ করা হবে কি না, তা নিয়ে আবার ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নরেন্দ্র মোদী এবং মহম্মদ ইউনুসের সঙ্গে বৈঠকের পর। যা নিয়ে এবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে মুখ খোলা হল। ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি (Foreign Secretary Vikram Misri) বলেন, শেখ হাসিনাকে নিয়ে বাংলাদেশের তরফে একটি আবেদন জানানো হয়েছে। তবে এটুকুই। এর বেশি কিছু এই মুহূর্তে আর বলা সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট জানান বিক্রম বিস্রি।

শুক্রবার বিমস্টেক সম্মেলনের মাঝে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুসের বৈঠক হয়। যে বৈঠকে ভারত, বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক যাতে আরও গঠনমূলক হয়, সেদিকে দিল্লির তরফে নজর রাখা হবে বলে প্রধানমন্ত্রী মোদী জানান। সেই সঙ্গে বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দুদের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মোদী।

আরও পড়ুন: PM Modi Raises Concerns The Safety Of Hindus: বাংলাদেশের হিন্দুদের নিয়ে চিন্তিত মোদী, ইউনুসের সঙ্গে বৈঠকের মাঝেই তুললেন সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়টি

দেখুন বিক্রম মিস্রি কী বললেন...

 

প্রসঙ্গত প্রধানমন্ত্রী পদে শেখ হাসিনা ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন গত বছর অগাস্ট মাসে। শেখ হাসিনার পলায়নের পর থেকে বাংলাদেশের হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি ক্রমাগত খারাপ হতে শুরু করেছে বলে জানা যায়। যা নিয়ে ভারতের তরফে একাধিকবার উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। যদিও ভারতের উদ্বেগ গায়ে মাখেনি বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দুদের অবস্থা নিয়ে ভারত অতিরঞ্জিত করছে বলেও অভিযোগ করেন মহম্মদ ইউনুস।

যা নিয়ে দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক ক্রমাগত খারাপ হতে শুরু করে। বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় আধিকারিকদের দেশে ফেরায় দিল্লি। এমনকী পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে কোনও ভারতীয় নাগরিক থাকবেন না বলেও পরামর্শ দেওয়া হয় দিল্লির তরফে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement