Jammu And Kashmir: কাকভোরে সোপিয়ানে এনকাউন্টারে নিকেশ ৩ জঙ্গি, উদ্ধার ২টি একে-৪৭ রাইফেল
জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu and Kashmi) একের পর এক জঙ্গি নাশকতার ছক বানচাল করে দিচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। মঙ্গলবার কাকভোরে ফের সেনা জঙ্গির গুলির লড়াই হল সোপিয়ানে। এবার ঘটনাস্থল সোপিয়ানের তুর্কওয়াঙ্গাম এলাকা। জঙ্গিদের আত্মগোপনের খবর পেয়েই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। পালানোর পথ নেই বুঝতে পেরেই গোপন আস্তানা থেকে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গির দল। সেনার পাল্টা জবাব শুরু হতেই আর প্রতিরোধ খাড়া করতে পারেনি জঙ্গিরা। এই এনকাউন্টারে ৩ জঙ্গি নিকেশ হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে দুটি একে-৪৭ রাইফেল। আরও কোনও জঙ্গি লুকিয়ে আচে কি না তা নিশ্চিত করতে চলছে তল্লাশি অভিযান।
শ্রীনগর, ১৬ জুন: জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu and Kashmi) একের পর এক জঙ্গি নাশকতার ছক বানচাল করে দিচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। মঙ্গলবার কাকভোরে ফের সেনা জঙ্গির গুলির লড়াই হল সোপিয়ানে। এবার ঘটনাস্থল সোপিয়ানের তুর্কওয়াঙ্গাম এলাকা। জঙ্গিদের আত্মগোপনের খবর পেয়েই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। পালানোর পথ নেই বুঝতে পেরেই গোপন আস্তানা থেকে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গির দল। সেনার পাল্টা জবাব শুরু হতেই আর প্রতিরোধ খাড়া করতে পারেনি জঙ্গিরা। এই এনকাউন্টারে ৩ জঙ্গি নিকেশ হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে দুটি একে-৪৭ রাইফেল। আরও কোনও জঙ্গি লুকিয়ে আছে কি না তা নিশ্চিত করতে চলছে তল্লাশি অভিযান।
এদিন সোপিয়ানের ওই জঙ্গি উপদ্রুত এলাকায় যৌথ অভিযান চালায় ভারতীয় সেনা ও সিআরপিএফ-এর একটি দল। জানা গিয়েছে, তিন জঙ্গির মধ্যে রয়েছে হিজবুলের স্থানীয় কমান্ডার জুবাইর। অন্য মৃত জঙ্গি হল কামরান মিনহাস। তার বাড়িও সোপিয়ানের জাউরা এলাকায়। তৃতীয় জন মুন্নেদ-উল-ইসলাম। স্থানীয়দের দাবি মৃত জঙ্গিরা এলাকার তবে সরকারি তরফে এনিয়ে কোনও মন্তব্য এখনও আসেনি। তবে গত ২ সপ্তাহে সোপিয়ান, পুলওয়ামা ও কুলগাঁও মিলিয়ে সমগ্র দক্ষিণ কাশ্মীরের অন্তত ১৬ জন স্থানীয় জঙ্গি নিকেশ হয়েছে। আরও পড়ুন-West Bengal Monsoon Update: বঙ্গোপসাগরে নতুন নিম্নচাপ, উইকএন্ডে ভারী বর্ষণে ভিজবে বাংলা
এদিন সাতসকালেই সেনার জনসংযোগ আধিকারিক জানান, নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর তাংধার সেক্টরে যুদ্ধ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গোলাগুলি বর্ষণ শুরু করেছে পাকিস্তান সেনা। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ভারতীয় সেনাও। গত রবিবারও একই কায়দায় বারামুলা জেলার রামপুর সেক্টরে মর্টার শেল ছুঁড়তে শুরু করে পাকিস্তান।