Nirbhaya Case: 'ফাঁসি কখনই হবে না', ভরা আদালতে নির্ভয়ার মাকে 'চ্যালেঞ্জ' আসামিদের আইনজীবীর
দিল্লির পাতিয়ালা হাউজ় কোর্টের নির্দেশে স্থগিত নির্ভয়াকাণ্ডের (Nirbhaya Case) অপরাধীদের ফাঁসি। আর তারপরই আদালতের বাইরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন নির্ভয়ার মা আশাদেবী (Asha Devi )। সাংবাদিকদের তিনি জানালেন, ভরা আদালতে ধর্ষকদের আইনজীবী এপি সিং (AP Singh) তাঁকে বলেছেন, "ফাঁসি কখনই হবে না।'' তবে আশাদেবী জানিয়েছে লড়াই থামছে না তাঁর। তিনি আরও বলেন, "আর পারছি না আমি। দোষীদের বাঁচাতে কেন এত তৎপরতা? খুনিদের আইনজীবী আমাকে ভরা আদালতে বলেছেন, এই ফাঁসি নাকি কখনই হবে না। কবে আমার মেয়েটা শান্তি পাবে, বলতে পারেন?"
নতুন দিল্লি, ৩১ জানুয়ারি: দিল্লির পাতিয়ালা হাউজ় কোর্টের নির্দেশে স্থগিত নির্ভয়াকাণ্ডের (Nirbhaya Case) অপরাধীদের ফাঁসি। আর তারপরই আদালতের বাইরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন নির্ভয়ার মা আশাদেবী (Asha Devi )। সাংবাদিকদের তিনি জানালেন, ভরা আদালতে ধর্ষকদের আইনজীবী এপি সিং (AP Singh) তাঁকে বলেছেন, "ফাঁসি কখনই হবে না।'' তবে আশাদেবী জানিয়েছে লড়াই থামছে না তাঁর। তিনি আরও বলেন, "আর পারছি না আমি। দোষীদের বাঁচাতে কেন এত তৎপরতা? খুনিদের আইনজীবী আমাকে ভরা আদালতে বলেছেন, এই ফাঁসি নাকি কখনই হবে না। কবে আমার মেয়েটা শান্তি পাবে, বলতে পারেন?"
তিনি আরও বলেন, "আদালত যদি স্থগিতাদেশই দেবে তাহলে সারাদিন বসিয়ে রাখল কেন। আমাদেরও তো অপেক্ষা ছিল। আমার মনে হয় সরকার ও আদালত আসামিদের সুযোগ দিচ্ছে সুযোগ নেওয়ার জন্য। কারণ ওরা পুরুষ। আমার মেয়ের অধিকার নেই বিচার পাওয়ার।" আরও পড়ুন: Nirbhaya Convicts Hanging: স্থগিত নির্ভয়া মামলার চার ধর্ষক-খুনির ফাঁসি!
আজ অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেল নির্ভয়াকাণ্ডে দোষীদের ফাঁসি। দিল্লির পাতিয়ালা হাউজ় কোর্ট তাদের ফাঁসি স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ফাঁসি দেওয়া যাবে না ৪ অপরাধীকে। এটাই চাইছিল দোষীরা। ফাঁসি পিছিয়ে দিতে চেষ্টার কসুর করেনি তারা। সুপ্রিম কোর্টে বারবার যাওয়া থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আর্জি। সব মতলবই জলে গিয়েছে। মনে হচ্ছিল, ১ ফেব্রুয়ারি বিচার পাবে নির্ভয়া। ফাঁসুড়ে পবন জল্লাদও তিহার জেলে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। প্রথমে ঠিক ছিল ২২ জানুয়ারি ফাঁসি দেওয়া হবে নির্ভয়াকাণ্ডের ৪ দোষীকে। সে যাত্রাতেও ফাঁসি পিছিয়ে দিতে পেরেছিল তারা। ১ ফেব্রুয়ারি ফাঁসির দিন স্থির হয়। দ্বিতীয়বারও পিছিয়ে গেল ফাঁসি।