Jyoti Malhotra: 'আমি ভুল কিছু করিনি', বাবাকে দেখে বলছে পাকিস্তানি চর ইউটিউবার জ্যোতি
পাক হাই কমিশনের কর্মী দানিশের সঙ্গে জ্যোতির যোগ এবং তারপর পাকিস্তানের আইএসআই হ্যান্ডেলারদের কথা মত ভারতের গোপণ তথ্য তাদের হাতে তুলে দেওয়ার কাজ জ্যোতি মালহোত্রা করত।
দিল্লি, ২৮ মে: জ্যোতি মালহোত্রার (Jyoti Malhotra) বাবা দেখা করলেন তাঁর মেয়ের সঙ্গে। পাকিস্তানের (Pakistan) হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Pakistani Spy) অভিযোগে হরিয়ানার (Haryana YouTuber) ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রাকে গ্রেফতার করা হয়। ১৬ মে গ্রেফতারির পর থেকে এতদিন পর্যন্ত জ্যোতির সঙ্গে তার বাবা দেখা করতে পারেননি। এবার জ্যোতিকে হরিয়ানার হিসার সেন্ট্রাল জেলে আনা হলে মেয়ের সঙ্গে দেখা করেন তার বাবা।
জ্যোতির সঙ্গে দেখা করে কী জানালেন তার বাবা হরিশ মালোহত্রা
জ্যোতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর জেল থেকে হরিশ মালহোত্রা বেরোতেই আবেগপ্লুত হয়ে পড়েন। প্রায় কেঁদে ফেলেন তিনি। সংবাদমাধ্য়মের সামনে হরিশ মালহোত্রা বলতে শুরু করেন, তাঁর মেয়ে কোনও অপরাধ করেনি। বাবাকে সেই কথাই বার বার জানিয়েছে। এর বাইরে হরিশ মালহোত্রাকে আর কোনও তথ্য মেয়ের সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমে শেয়ার করতে দেখা যায়নি।
প্রসঙ্গত জ্যোতি মালহোত্রাকে আদালতে তোলা হলে, তার জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই মেয়ে জ্যোতির সঙ্গে দেখা করেন তার বাবা।
পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে পাকড়াও ১২
হরিয়ানা, পঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ থেকে যে পাকিস্তানি গুপ্তচরদের গ্রেফতার করা হয় (১২ জন), তাদের মধ্যে একজন হল এই ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রা। 'ট্রাভেল উইথ জো' নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল চালাত জ্যোতি। ওই ইউটিউব চ্যানেল চালাতে গিয়েই জ্যোতির পাকিস্তানে যাওয়া, দিল্লির পাক হাই কমিশনের অন্দরে ঢুকে পাকিস্তানি অফিসিয়ালদের সঙ্গে যোগাযোগ। সর্বোপরি জ্যোতির গুপ্তচরবৃত্তির খবর প্রকাশ্যে আসে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে হইচই।
জ্যোতির সঙ্গে পাক হাই কমিশন কর্তার যোগ
পাক হাই কমিশনের কর্মী দানিশের সঙ্গে জ্যোতির যোগ এবং তারপর পাকিস্তানের আইএসআই হ্যান্ডেলারদের কথা মত ভারতের গোপণ তথ্য তাদের হাতে তুলে দেওয়ার কাজ জ্যোতি মালহোত্রা করত। এবং সবটাই জ্যোতি জেনে বুঝে করত বলে জানতে পেরেছেন পুলিশ আধিকারিক এবং গোয়েন্দারা। তারপর থেকেই জ্যোতি মালহোত্রাকে একটানা জেরা করছেন গোয়েন্দারা।
যে জেরার মাধ্যমে জ্যোতি মালহোত্রার একাধিক অ্যাকাউন্টের কথা উঠে আসে। এবং সেই অ্যাকাউন্টগুলিতে দুবাই থেকে টাকার লেনদেন হত বলেও জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা।