Jessica Lal Murder Case: ভালো ব্যবহারের জন্য তিহার জেল থেকে মুক্তি পেলেন জেসিকা লাল হত্যাকাণ্ড মামলায় দোষী মনু শর্মা

জেসিকা লাল হত্যা মামলায় দোষী মনু শর্মাকে মঙ্গলবার দিল্লির তিহার জেল থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে মঞ্জুর করার পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। এদিন মনু শর্মা এবং আরও ১৮ জন বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয় কারাগার থেকে। দিল্লির রাজ্যপাল অনিল বৈজাল দিল্লি সেনটেন্স রিভিউ বোর্ডের (এসআরবি) সুপারিশে মনু শর্মা নির্ধারিত দিনের আগেই মুক্তি পেয়ে গেলেন। ১৪ বছর কারাদণ্ডের পরে ভাল আচার, আচরণ ও ব্যবহার দেখে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। এই জেসিকা হত্যাকাণ্ড নিয়ে বলিউডে একটি সিনেমাও আছে- 'নো ওয়ান কিলড জেসিকা'।

মনু শর্মা (Photo Credits: ANI/Twitter)

নতুন দিল্লি, ২ জুন: জেসিকা লাল হত্যা মামলায় (Jessica Lal Murder Case) দোষী মনু শর্মাকে মঙ্গলবার দিল্লির তিহার জেল থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে মঞ্জুর করার পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। এদিন মনু শর্মা (Manu Sharma) এবং আরও ১৮ জন বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয় কারাগার থেকে। দিল্লির রাজ্যপাল অনিল বৈজাল দিল্লি সেনটেন্স রিভিউ বোর্ডের (এসআরবি) সুপারিশে মনু শর্মা নির্ধারিত দিনের আগেই মুক্তি পেয়ে গেলেন। ১৪ বছর কারাদণ্ডের পরে ভাল আচার, আচরণ ও ব্যবহার দেখে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। এই জেসিকা হত্যাকাণ্ড নিয়ে বলিউডে একটি সিনেমাও আছে- 'নো ওয়ান কিলড জেসিকা'। আরও পড়ুন, অসমে ভূমিধসে মৃত ২০, আহত বহু; আরও বাড়তে পারে মৃতের সংখ্যা

দিল্লি সরকারের অধীনস্ত এসআরবি গত মাসে মনু শর্মাকে নির্ধারিত সময়ের আগে উপস্থিত হওয়ার সুপারিশ করেছিল। ১১ মে দিল্লির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের সভাপতিত্বে এসআরবির একটি বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিনোদ শর্মার পুত্র মনু শর্মা। ৩০ এপ্রিল ১৯৯৯-এ জেসিকা লালকে হত্যার দায়ে দিল্লি হাইকোর্ট দ্বারা তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়। ট্রায়াল কোর্ট থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়, কিন্তু উচ্চ আদালত সেই আদেশকে অমান্য করে এবং সুপ্রিম কোর্ট পরে ২০১০ সালের এপ্রিলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা শোনায়। সোশ্যাল বিনা রামানির মালিকানাধীন তামারিন্ড কোর্ট রেস্তোরাঁয় জেসিকা লালকে মনু শর্মা মদ খাওয়াতে চাইলে তা অস্বীকার করার পরে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

এই খুনের জন্যে সেই সময়ে উপস্থিত সকলেই চিহ্নিত করেছিলেন সিদ্ধার্থ বশিষ্ঠ ওরফে মনু শর্মাকে। হরিয়ানা থেকে কংগ্রেসের সাংসদ বিনোদ শর্মার আদরের পুত্র! কিন্তু তার কয়েকদিনের মাথাতেই বদলে যায় সমগ্র চিত্র। প্রত্যক্ষদর্শীর প্রায় সকলেই একসঙ্গে ভুলে যান এমন কিছু হয়েছিল বলে। সকলেই প্রায় সাক্ষ্য দেন যে তাঁরা মনু শর্মাকে কখনওই চিহ্নিত করেননি। কিন্তু সেই ঘটনাটি এখনও পিছু ছাড়েনি তাঁদের যাঁরা প্রত্যক্ষদর্শীর দায়িত্ব থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement