Groom Kills Bride: বিয়ের কয়েক ঘণ্টা আগে হবু স্বামীর হাতে খুন পাত্রী
গুজরাটে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিয়ের কয়েক ঘণ্টা আগে হবু স্বামীর হাতে খুন হবু স্ত্রী। রাজকোট শহরের ভাভনগরে বিয়ের আসর বসার ঠিক আগে বরের হাতে খুন হতে হল কনে-কে। ২২ বছরের কনে সোনি হিম্মত রাঠোড়-কে নৃশংসভাবে খুন করা হয় তাঁর হবু স্বামীর বাড়িতেই।
গুজরাটে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিয়ের কয়েক ঘণ্টা আগে হবু স্বামীর হাতে খুন হবু স্ত্রী। রাজকোট শহরের ভাভনগরে বিয়ের আসর বসার ঠিক আগে বরের হাতে খুন হতে হল কনে-কে। ২২ বছরের কনে সোনি হিম্মত রাঠোড়-কে নৃশংসভাবে খুন করা হয় তাঁর হবু স্বামীর বাড়িতেই। গতকাল, শনিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। বিয়ের মত চিরস্মৃতির আনন্দের দিনটা মুহূর্তে শোকের ছায়ায় ঢেকে যায়। বিয়ের আনন্দের সানাই থেমে তৈরি হয় শ্মশানের নীরবতা। শনিবার সন্ধ্যায় ভাভনগরের টেকরি চক সংলগ্ন প্রভুদাস লেক এলাকার কনের খুন হওয়ার ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। শনিবার রাতেই বিয়ের সব রীতিনীতি সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। ভাভনগরের বাসিন্দা সোনি রাঠোড় তাঁর ২৬ বছর বয়সি পাত্র সাজন খাগনা বরাইয়ার সঙ্গে এক বছরের বেশি সময় ধরে লিভ-ইনে ছিলেন। সামাজিক ও পারিবারিক চাপের কারণে তাঁরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।
রাগার মাথায় হবু স্ত্রী-র মাথায় আঘাত
বিয়ের আগে রাগের মাথায় পাত্র সাজন খুব সম্ভবত লোহার পাইপ দিয়ে হবু স্ত্রী সোনির মাথায় একাধিকবার আঘাত করে। লাল রঙের বেনারসীটা রক্তে ভেসে যায়। বিয়ের কয়েক ঘণ্টা আগে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনা ঘটে একটি বন্ধ ঘরে, যখন পরিবারের অন্য সদস্যরা পাশের ঘরে বিয়ের পোশাক পরছিলেন। কিছুক্ষণ পর সোনির পরিবার ঘরে ঢুকে তাঁর নিথর দেহ দেখতে পান এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন। বিয়েতে নিমন্ত্রিত আত্মীয়-স্বজন ও অতিথিরা মুহূর্তে শোকেস্তব্ধ হয়ে পড়েন।
দেখুন খবরটি
খুনের পর পাত্র পলাতক
খুনের পরই পাত্র পালিয়ে যায় এবং এখনও সে পলাতক। পুলিশ ভাভনগর ও আশপাশের জেলায় ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে এবং তাঁর গতিবিধি খুঁজে বের করতে বিশেষ দল মোতায়েন করেছে। সাধারণ নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভাভনগর সিটি ডিভিশন পুলিশের ডিএসপি আর.আর. সিংহালের নেতৃত্বে IPC ধারায় খুনের মামলা রুজু হয়েছে।
সামান্য কারণেই খুব রেগে যাওয়ার স্বভাব রয়েছে পাত্রর
সোনির হবু বর ও এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত আগেও খুনের চেষ্টা, লুট, হামলাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিলেন। পুলিশ তাঁকে উত্তেজিত ও বিপজ্জনক স্বভাবের ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে। বিয়ের খরচ বিশেষত কনের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি কেনার টাকা নিয়ে তীব্র তর্কের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে অভিযোগ। সোনি সেদিন তাঁর মামার বাড়িতে ছিলেন, সেখানেই বিয়ের প্রস্তুতির সময় হবু স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া চরমে ওঠে।