Scare Of Blue Whale Challenge In School Students: নীল তিমি চ্যালেঞ্জের আতঙ্ক, হাত কেটে রক্তারক্তি পরিস্থিতি পড়ুয়াদের

গুজরাটের ওই প্রাথমিক স্কুলে একাধিক পড়ুয়ার হাতে ক্ষত দেখে শিক্ষকরা চিন্তিত হয়ে পড়েন। তাঁরা বিষয়টি বাবা-মাদেরও জানান। এরপরই ওই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে বলে খবর। জানা যায়, সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্র সহপাঠীদের উদ্ভুদ্ধ করে, নিজেদের হাত কাটতে পারলে, ১০ টাকা করে দেওয়া হবে বলে।

School Student, Representational Image (Photo Credit: File Photo)

আহমেদাবাদ, ২৬ মার্চ: আতঙ্ক ছড়াচ্ছে নীল তিমি চ্যালেঞ্জ (Blue Whale Challenge) অর্থাৎ ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ। তাও আবার ছোট ছোট পড়ুয়াদের মধ্যে। শুনতে অবাক লাগলেও, গুজরাটের (Gujarat) একটি সরকারি স্কুলে এই ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ পড়ুয়াদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে। রিপোর্টে প্রকাশ, গুজরাটের মোটা মুঞ্জিয়াসর গ্রামে বেশ কয়েকজন পড়ুয়ার হাত কাটা অবস্থায় দেখা যায়। জানা যায়,  ওই পড়ুয়ারা (School Student) যাতে পেন্সিল কাটারের ব্লেড দিয়ে নিজেদের হাতে কাটে, সে বিষয়ে তাদের আগ্রহী করে তোলে অন্য আর এক পড়ুয়া। নিজেদের কষ্ট দিয়ে হাত কাটলে ১০ টাকা করে দেওয়া হবে বলে ওই পড়ুয়া তার সহপাঠীদের জানায় বলে খবর। ১০ টাকার  অমোঘ টানে ৩০ থেকে ৪০ জন পড়ুয়া নিজেদের হাত কেটে ফেলে বলে খবর। যে খবর প্রকাশ্যে আসতেই স্কুল পড়ুয়াদের অভিভাবকরা কার্যত চিন্তায়। স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফেও চিন্তা ব্যক্ত করা হয়েছে এ বিষয়ে।

ইভিটি ভারতের খবর অনুযায়ী, গুজরাটের ওই প্রাথমিক স্কুলে একাধিক পড়ুয়ার হাতে ক্ষত দেখে শিক্ষকরা চিন্তিত হয়ে পড়েন। তাঁরা বিষয়টি বাবা-মাদেরও জানান। এরপরই ওই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে বলে খবর। জানা যায়, সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্র সহপাঠীদের উদ্ভুদ্ধ করে, নিজেদের হাত কাটতে পারলে, ১০ টাকা  করে দেওয়া হবে বলে।

ওই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর গ্রাম প্রধানের তরফে থানায় খবর দেওয়া হয়। ওই ছাত্র কীভাবে অন্য সহপাঠীদের এ বিষয়ে প্রলুব্ধ করল, তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। পাশাপাশি এর পিছনে বাইরের কারও হাত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

কোনও ভিডিয়ো গেমসের দ্বারা প্রভাবিত হয়েই ওই কাণ্ড বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করছে। স্কুলের প্রিন্সিপাল এ বিষয়ে পুলিশকে সমস্ত ধরনের সাহায্য করছেন। পাশাপাশি স্কুল পড়ুয়াদের এবং তাদের বাবা-মায়েদের পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে তদন্তের স্বার্থে। সেই সঙ্গে পড়ুয়ারা বাড়িতে কী করছে, বাবা-মারা সেদিকে নজর রাখুন বলে পুলিশ এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে।

Share Now
Advertisement


Advertisement
Advertisement
Share Now
Advertisement